Headlines
Loading...
বর্ধমানে চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্যুর অভিযোগ এক পুলিশ কর্মীর

বর্ধমানে চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্যুর অভিযোগ এক পুলিশ কর্মীর


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: ফের বর্ধমানের একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। হুগলির পান্ডুয়ার বাসিন্দা পেশায় পুলিশ কনস্টেবল অভিষেক রায়(২৬) কে তাঁর পরিবারের লোকেরা শনিবার গলব্লাডারের অপারেশনের জন্য বাম বটতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিবারের অভিযোগ অপারেশনের সময় চিকিৎসকের গাফিলতিতে অভিষেকের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে অভিষেকের দাদা শক্তিগড় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। শনিবার মৃতের ময়না তদন্তও করা হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।


জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরেই পেটের যন্ত্রনায় ভুগছিলেন হুগলির বৈঁচি গ্রামের বাসিন্দা ঝাড়গ্রামে কর্তব্যরত পুলিশের কনস্টেবল অভিষেক রায়। এরপর বর্ধমানের বামবটতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে দেখানোর পর ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেয় গলব্লাডারে স্টোন আছে অপারেশন করতে হবে। সেইমত শুক্রবার সকালে ভর্তি করা হয় অভিষেক কে। বিকেল চারটেয় অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সেইমতো বাড়ির লোক এলে অপারেশনের টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয় অভিষেককে। এক ঘন্টা অতিক্রম হয়ে গেলেও কোন খবর না পেয়ে বাড়ির লোক সেই সময় ওটি তে যায় খোঁজ খবর নিতে। তখন ওটিতে কর্মরত স্টাফেরা বলে অভিষেকের পালস ও হার্ট বিট নেমে গেছে হার্ট কাজ করছে না। এরপরে মৃত্যু হয় অভিষেকের।


অভিষেক রায়ের স্ত্রী ও দু মাসের ছেলে রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। মৃতের দাদা অনিমেষ রায় বলেন, ' হাসপাতালের চিকিৎসক ও হাসপাতালের লোকেরাও আমাদের বলেছিল ল্যাপ্রোস্কোপি অপারেশনে এখন কোন ভয় থাকেনা। খুবই কম সময়ের মধেই অপারেশন করে ভাই কে বেডে দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপারেশন টেবিল থেকে ভাইকে বের না করায় আমাদের সন্দেহ হয়। বারবার আমরা হাসপাতালের লোকেদের কাছে গেলে তারা বিরক্ত হয়। পরে আমাদের বলা হয় ভাই অপারেশন টেবিলেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গিয়েছে। আমরা মানতে পারছি না এটা।'


অনিমেষ রায় বলেন, 'ভাইয়ের অপারেশন করানোর আগে সমস্ত ধরণের পরীক্ষা করানো হয়েছিল। ভাইয়ের হার্টের কোন রোগ ছিল না। তাহলে কিভাবে এটা হল? অস্ত্রপচার করতে গিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকের ভুলেই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা বিচার চাই। কিভাবে চলবে ওর পরিবার?’ বামবটতলার ওই বেসরকারি হাসপাতালের অধিকর্তা ডাঃ সৌমেন সাহা শিকদার কে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});