Headlines
Loading...
রোগীদের স্বার্থে বর্ধমান মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে একগুচ্ছ পরিকল্পনা

রোগীদের স্বার্থে বর্ধমান মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে একগুচ্ছ পরিকল্পনা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগী ও রোগীর পরিজনদের দীর্ঘদিনের নানান সমস্যার বিষয় সমাধান করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। রবিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সহ রোগী কল্যাণ সমিতির পদাধিকারীদের সঙ্গে দেখা করে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান স্বপন দেবনাথ। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৮তারিখ এই সমস্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে।


 হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে রোগীকে হয়রানির শিকার হতে হয়। মূলত পর্যাপ্ত ট্রলি না থাকার কারণেই এই সমস্যা বলে রোগীর পরিজনদের বক্তব্য ছিল। এবার এই সমস্যা দ্রুত সমাধান করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালেই ট্রলি কীয়স্ক তৈরি করা হবে। আর এরজন্য ৭০জন ট্রলি বয় নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে ব্যাপারে ইতিমধ্যে অনুমোদন চেয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।


এছাড়াও অতিরিক্ত রোগীর চাপ তৈরি হওয়ায় রাধারানী ওয়ার্ড কে ১০তলা করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই ওয়ার্ডের শয্যা সংখ্যা কম থাকায় অনেক সময়ই রোগীদের ওয়ার্ডের মেঝেতে পরে থাকতে দেখা যায়। তাই সব রোগীই যাতে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে চিকিৎসা নিতে পারেন তার জন্যই এই পরিকল্পনা বলে জানানো হয়েছে।


আগামী ৮ তারিখের রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকের আগে রবিবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের কনফারেন্স হলে হাসপাতাল ও কলেজের কি কি সমস্যা আছে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা রাজ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা: প্রবীর সেনগুপ্ত, হাসপাতাল সুপার ডা: তাপস ঘোষ, জেলাপরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য বাগবুল ইসলাম, মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, সুশান্ত প্রামানিক সহ অন্যান্য সদস্যরা।


এইদিন হাসপাতালের আরো সমস্যার কথা তুলে ধরা হয় বৈঠকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য শিশু বিভাগের নিচেই থাকা এক্স-রে এবং এমআরআই সেন্টারে রোগীর ভিড়। এমনকি এই দুই অতি প্রয়োজনীয় পরীক্ষার মেশিন এখানে একটি করে থাকার ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় রোগীদের। ফলে রোগী এবং রোগীর পরিবারের লোকেদের ভিড় লেগেই থাকে এখানে।


এতে করে সমস্যায় পড়তে হয় চিকিৎসক, নার্স থেকে স্বাস্থ্য কর্মীদের। তাই এই সমস্যা সমাধানে আরও ১টি করে এক্সরে মেশিন ও এমআরআই মেশিন বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে চেয়ারম্যানের কাছে। এছাড়াও হাসপাতাল চত্বরে ভিড় ও যানজট এড়াতে জরুরি বিভাগের গেট কে শ্যাম সায়রের দিকে করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। পাশাপাশি হাসপাতালের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়েও কিছু প্রস্তাব এদিন রাখা হয়েছে।

0 Comments: