Headlines
Loading...
এলাকায় চুরি বন্ধ না হলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে, বর্ধমানে রেনেসাঁ টাউনসিপের বাসিন্দারা এবার আন্দোলনের পথে

এলাকায় চুরি বন্ধ না হলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে, বর্ধমানে রেনেসাঁ টাউনসিপের বাসিন্দারা এবার আন্দোলনের পথে


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: একের পর এক চুরির ঘটনা এবং কোনো চুরির ঘটনার এখনো কিনারা না হওয়ায় শনিবার শেষমেষ বর্ধমানের অভিজাত এলাকা রেনেসাঁ উপনগরীর আবাসিকদের অধিকাংশ উপনগরীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন শুরু করলেন। রেনেসাঁ টাউনসিপ অ্যালোটিজ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা এদিন রেনেসাঁর শ্রাচী গ্রুপের অফিসের সামনে ধর্ণা বিক্ষোভে বসেন। এই টাউনসিপের বাসিন্দারা এদিন অভিযোগ করেছেন, এই টাউনসিপে তাঁরা যখন বসবাস করতে আসেন তখন তাঁদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল শ্রাচী কর্তৃপক্ষ। 


কিন্তু গত ২ মাসে এই টাউনসিপের ৬টি বাড়িতে ভয়াবহ চুরির ঘটনা ঘটেছ। আর তাই টাউনশীপের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, শ্রাচী গ্রুপের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি যে ভূয়ো ছিল তা এই অবস্থাই প্রমাণ করেছে। কয়েক লক্ষাধিক টাকা ও সম্পত্তি চুরি গেলেও আজও তার কোনো কিনারা হয়নি। এব্যাপারে টাউনসিপ কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না বলে এদিন বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন। এই এ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সমীরণ মণ্ডল জানিয়েছেন, গত ২ মাসে যে সমস্ত চুরির ঘটনা ঘটেছে তা প্রায় একই কায়দায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই সমস্ত চুরির ঘটনা পরিকল্পিত। 


তিনি জানিয়েছেন, টাউনসিপের যে অংশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল সেই জায়গাতেই গ্রীল কেটে, তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে।তাঁরা বারবার নিরাপত্তাহীনতার কথা বললেও কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দিচ্ছে না। এমনকি এব্যাপারে টাউনসিপ কর্তৃপক্ষ বলছেন এটা পুলিশের দায়িত্ব। অন্যদিকে, পুলিশের কাছে গেলে তাঁরা জানাচ্ছেন, টাউনসিপের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এই দুয়ের টানাটানিতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে।


এদিন এই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি টাউনসিপ কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে না পারে তাহলে তাঁরা টাউনসিপ প্রোজেক্টের সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ করে দেবেন। কারণ টাউনসিপ কর্তৃপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করছেন না। এমতবস্থায় তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথেই হাঁটছেন। 


যদিও এদিন বাসিন্দাদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে শ্রাচী গ্রুপের পক্ষে অংশুমান সরকার জানিয়েছেন, কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। কিন্তু তাঁরা ইতিমধ্যেই নিরাপত্তার জন্য প্রচুর সিসিটিভি লাগিয়েছেন, আরও লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানাকে নিয়মিত নজরদারী করার জন্য তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন।



0 Comments: