Headlines
Loading...
পরপর দু রাতে বর্ধমানে সরকারি আবাসনের পাঁচটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক, তদন্তে পুলিশ

পরপর দু রাতে বর্ধমানে সরকারি আবাসনের পাঁচটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক, তদন্তে পুলিশ


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: বন্ধ বাড়িতে একের পর এক চুরির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হল বর্ধমান শহর জুড়ে। শুত্রুবার সাধনপুরের সরকারি আবাসনে তিনটি বন্ধ ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শনিবার রাতে আরো দুটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনা সামনে এলো। আর এর পরই রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাধনপুর রেন্টাল হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দারা। যদিও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোট পাঁচটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনা শুত্রুবার রাতেই ঘটেছিল। তিনটি ঘটনা জানতে পারা গেলেও অন্য দুটি চুরির ঘটনা রবিবার সকালে জানা গেছে। 


এদিকে রবিবার সকালে আবাসনের ডি-ব্লকের গ্রাউন্ড ফ্লোরের আবাসিক বিডিএ এর ইঞ্জিনিয়ার অমিত গিরির ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙা দেখে তাঁর প্রতিবেশী ফোনে অমিত বাবুকে খবর দেন। এরপরই চুরির ঘটনা সামনে আসে। এদিনই আবাসনের আর-ব্লকের দোতলার বাসিন্দা ট্রেজারি-২ এর অফিসার ভরত মন্ডলের ফ্ল্যাটের ব্যালকনির দিকের দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। আর এখানেই প্রশ্ন উঠেছে যে চুরির ঘটনা যদি শুত্রুবার রাতেই ঘটে থাকতো তাহলে শনিবার কেন জানা গেল না। রবিবার সকালে নতুন করে দুটি ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙ্গা দেখতে পাওয়ার পর আবাসিকদের সন্দেহ হয় গতরাতেই ফের চুরির ঘটনা ঘটেছে।


এদিকে জানতে পারা গেছে, অমিত গিরির ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে লক্ষাধিক টাকার গহনা সহ টাকাপয়সা নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোরেরা। অন্যদিকে ভরত মন্ডলের ফ্ল্যাটের ব্যালকনি টপকে দরজা ভেঙে ঢুকতে গিয়ে প্রতিবেশীদের আওয়াজে চোরের দল চুরি না করেই পালিয়ে যায়। ওই ফ্ল্যাটের কিছু খোয়া যায়নি বলেই স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এদিকে লাগাতার চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে দিশেহারা অবস্থা পুলিশের। সাধনপুর হাউসিংয়ে কোনো সিসি ক্যামেরা না থাকায় চোরেদের গতিবিধি খুঁজে বের করতে হিমাহিম খেতে হচ্ছে পুলিশ কে। এমনকি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষীও নেই এতবড় এবং সরকারি আধিকারিকদের বসবাসের এই আবাসনে বলে পুলিশ সূত্রেই জানতে পারা গেছে।


এদিকে পরপর দু রাতে সরকারি আবাসনের পাচঁটি ফ্ল্যাটে ভয়াবহ চুরির ঘটনায় এই আবাসনের বাসিন্দারা রীতিমত আতঙ্কিত। পুলিশকেও এতগুলো চুরির কিনারা করতে তদন্তে নেমে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে। এরই মধ্যে বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে শহরে রাতের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য দুটি নাইট মোবাইল ভ্যান এবং পাঁচটি মোটর সাইকেলে টহলদারী শুরু করা হয়েছে। 


পাশাপাশি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বর্ধমানবাসীদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছে, বাড়ি খালি করে কোথাও বেরোনোর আগে থানায় এব্যাপারে যেন জানিয়ে রাখেন বাড়ি মালিক। সেক্ষেত্রে বন্ধ বাড়ির নজরদারির ক্ষেত্রে পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। চুরির ঘটনায় রাশ টানা যেতে পারে সচেতন শহরবাসীদের সহযোগিতায়।


0 Comments: