Headlines
Loading...
বিজেপি করার অপরাধে মারধর করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ,চাঞ্চল্য

বিজেপি করার অপরাধে মারধর করে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ,চাঞ্চল্য


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,কালনা: ভোর বেলায় কাজে যাবার জন্য বাড়ি থেকে বেরোতেই ছ'জন দুস্কৃতি মিলে লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে স্বপন দাস নামে এক ব্যক্তিকে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেবার চেষ্টা করল কয়েকজন দুষ্কৃতী। তাকে বাঁচাতে এসে তার স্ত্রী কেও মারধর এবং শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলে কালনা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন স্বপন দাস। ঘটনাটি ঘটেছে কালনা ২ব্লকের কৈগাড়িয়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। 

স্বপন দাস জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি কে সমর্থন করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, রবিবার খুব সকালে কাজে যাবার জন্য ঘর থেকে বেরোতেই রাজীব বাগ, মুকুল বাগ, শ্রীমতি বাগ, শর্মিলা বাগ, রিমপা বাগ এবং মাম্পি বাগ এই ছ জন তাকে ঘিরে ধরে। এদের হাতে লোহার রড, বাঁশের লাঠি প্রভৃতি ছিল। রাজীব এবং মুকুল দুজনে প্রথমে তাকে বেধড়ক মারধর করে। বাকিরা কিল, চড়, ঘুষি, লাঠি মারতে থাকে। তিনি জানিয়েছেন, তার মুখে ও মাথায় আঘাত লাগে। তাঁর চিৎকারে তাঁর স্ত্রী ছুটে এসে তাঁকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করে এবং পরনের কাপড় জামা ছিঁড়ে দেয়। তাঁদের চিৎকার চেঁচামেচিতে পাড়ার মানুষ বেরিয়ে পড়লে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্বপন দাস জানিয়েছেন, এর আগেও গত বছরের আগস্ট মাসে এই দুষ্কৃতীরাই তাঁর ওপর আক্রমণ করেছিল। সেই সময় কালনা থানায় অভিযোগও জানিয়েছিলেন। কিন্তু বারবার তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

কালনা ২ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায় জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ যুক্ত নয়। স্বপন দাস একসময় সিপিএম করতো। পরে বিজেপি পার্টি করে। তবে তিনি জানিয়েছেন, যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের চিহ্নিত করে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। অন্যদিকে বিজেপির ব্লক সভাপতি সুভাষ পাল জানিয়েছেন, স্বপন দাস এবং তাঁর স্ত্রীর ওপর যারা আক্রমণ চালিয়েছে তারা তৃণমূলের কর্মী। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই কালনা ২ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের সন্ত্রাস চলছে। এই ঘটনাও কোনো বিক্ষিপ্ত নয়। পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে, এখন পুলিশের কাজ দুস্কৃতিদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া।

0 Comments: