Headlines
Loading...
এবার কালনার বিধায়কের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন নিয়ে স্বজনপোষণের অভিযোগ, আলোড়ন

এবার কালনার বিধায়কের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন নিয়ে স্বজনপোষণের অভিযোগ, আলোড়ন


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,কালনা: কিছুদিন আগেই কালনা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ কে দায়ী করে মহকুমাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। আর শুত্রুবার ফের পুরসভার একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলর যৌথভাবে বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ জানিয়ে মহকুমাশাসকে লিখিত দরখাস্ত জমা করলেন। এবার বিধায়কের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন দেওয়ার নামে স্বজনপোষণ, কালনা পুরসভার কাজে অনৈতিক হস্তক্ষেপ সহ বেশ কিছু অভিযোগ জানানো হয়েছে। 

স্বাভাবিকভাবেই খোদ বিধায়কের বিরুদ্ধে বারবার একাধিক অভিযোগকে ঘিরে কালনা শহরে আলোড়ন পড়েছে। যদিও বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগের কোনো প্রমাণ অভিযোগকারীরা দিতে পারবেন না। তিনি এও জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের আগে যে কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করেছেন তারাই দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এই সমস্ত মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে।

অভিযোগে জানানো হয়েছে, বর্তমান পৌরপ্রসাশক
থাকা সত্ত্বেও প্রাক্তন পৌরপ্রসাশক তথা বর্তমান বিধায়ক প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পৌরপিতার চেয়ার অলঙ্কৃত করে থাকেন। ফলে সাধারণ মানুষের মতামত প্রকাশে সমস্যা হচ্ছে। এককথায় প্রাক্তন পৌরপ্রসাশকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে পরিগণিত হচ্ছে। যেমন- পৌরসভা নিযুক্ত কর্মী ব্যতীত প্রাক্তন পৌরপ্রসাশক তথা বর্তমান বিধায়ক মনােনীত ব্যক্তি দ্বারা বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাজ
পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া ভ্যাকসিন গ্রহণের নিমিত্ত পৌরসভাপ্রদত্ত কুপণ গ্রহণে আগ্রহী ব্যক্তিগণ ঘন্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও তারা কুপণ পাচ্ছে না। অথচ বিধায়কের মনােনীত ব্যক্তিরা লাইনে না দাঁড়িয়েও কুপণ সংগ্রহ করছে। ফলে নাগরিক পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। 

প্রাক্তন কাউন্সিলারগণ মহকুমাশাসক কে দেওয়া অভিযোগে অনুরোধ জানিয়েছেন বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার। কারণ, সাধারণ মানুষের আশঙ্কা বিধায়ক যখন তখন পৌরসভার নানা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সরাতে পারেন। পৌরসভার অধিকাংশ কর্মীও এ বিষয়ে ভীতসন্ত্রস্ত। প্রসঙ্গত এই অভিযোগের কপি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতিকেও পাঠানো হয়েছে। 

0 Comments: