Headlines
Loading...
দুদিনে রেকর্ড, পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৪২, দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত ২৮

দুদিনে রেকর্ড, পূর্ব বর্ধমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৪২, দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত ২৮



ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব: হু হু করে বেড়েই চলেছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার করোনার সংক্রমণে রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছিল এই জেলায়। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক কুশল চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার গোটা জেলায় ৮৯৩জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন বৃহস্পতিবার ১জন। সবমিলিয়ে সরকারী হিসাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবার পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে গোটা জেলায়। আর শুত্রুবার ফের ৮৪৯জন করোনায় আক্রান্ত হলেন এই জেলায়। অর্থাৎ দুদিনে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৪২জন। এদিন মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। অর্থাৎ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে এখনো পর্যন্ত জেলায় ২৮জন মারা গেলেন।


 আতংক আরও বেড়েছে বর্ধমান পুরসভায় মারাত্মক হারে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায়। কেবলমাত্র বৃহস্পতিবারই সরকারী হিসাবে বর্ধমান পুর এলাকার ৩৫টি ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২৮জন। আর শুত্রুবার সেই সংখ্যা ২৩৪জন। দুদিনে বর্ধমান শহরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬২জন। এরপরেই রয়েছে বর্ধমান ১নং ব্লক। এই ব্লকে বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হয়েছেন ৪১জন এবং শুত্রুবার ৫৭জন। এদিকে, একদিকে যখন করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে তখন তাকে কেয়ার না করেই চলছে জায়গায় জায়গায় তৃণমূলের বিজয় মিছিল। বিজয় উল্লাস। যাদের সিংহভাগের মুখেই নেই মাস্ক। যদিও ইতিমধ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় থানায় নির্দেশিকা পৌঁছে গেছে করোনা সচেতনতা নিয়ে মাঠে নামার জন্য। পুলিশও মাইক নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় সচেতনতার প্রচার শুরু করে দিয়েছে। তারপরেও হার বাড়ছে করোনা সংক্রমণের। 


এরই মাঝে অক্সিজেন সহ করোনা প্রতিষেধক বিভিন্ন ওষুধ বাজারে চড়া দামে বিক্রি হতে শুরু করেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিলছে না প্রয়োজনীয় করোনার ওষুধ। ফলে সবমিলিয়ে গোটা জেলা জুড়েই করোনা নিয়ে আতংকে ভুগছেন সাধারণ মানুষ। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে হাসপাতাল মাঝরাত থেকে সাধারণ মানুষ কোভিড ভ্যাকসিনের জন্য লাইন দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। গোটা জেলা জুড়েই কোভিডের প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন অমিল। দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিনের চাহিদাও তুঙ্গে। তারই মাঝে যাঁরা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে যোগাযোগ করছেন সেখানেও ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা তাঁদের আরও হতাশ করে তুলছে।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});