Headlines
Loading...
বর্ধমানে খোলা হচ্ছে আরও ভ্যাকসিন সেণ্টার, সোমবার থেকে জেলায় প্রথম ডোজ দেওয়ার সম্ভাবনা

বর্ধমানে খোলা হচ্ছে আরও ভ্যাকসিন সেণ্টার, সোমবার থেকে জেলায় প্রথম ডোজ দেওয়ার সম্ভাবনা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় গত ৫ দিনে গড়ে ৫জন করে করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একদিকে করোনা সংক্রমণের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ফলে ক্রমশই আতংক বাড়ছে সাধারণ জনজীবনে, উদ্বেগ বাড়ছে জেলা প্রশাসনের। এরই মাঝে করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে রীতিমত চলছে টালমাটাল অবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় শেষ ৫ দিনে গড়ে ৫জন করে মারা গেছেন করোনা সংক্রমণের জেরে। একইসঙ্গে গড়ে এই শেষ ৫দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২০জন। ফলে গোটা জেলা জুড়েই চলছে তীব্র আতংক। 


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুত্রুবার এই জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮৫জন। তার মধ্যে বর্ধমান পুর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৫জন। বৃহস্পতিবার জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭২২জন এবং মারা গেছেন ৬জন। বুধবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪৭৮ জন, মারা গেছেন ৫জন। মঙ্গলবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৫২জন এবং মারা গেছেন ৫জন। সোমবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৬৯৯জন এবং মারা গেছেন ৫জন। রবিবার আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫৪৭জন এবং মারা গেছেন ৩জন।


 জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুসারে শুত্রুবার পর্যন্ত জেলায় বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৭৩৩৯জন। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা (পজিটিভ) যেখানে ছিল ২৭ হাজার ০৩ জন, তার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১৯ হাজার ৪২৪ জন। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী এই জেলায় এখনও পর্যন্ত সুস্থতার হার প্রায় ৭২ শতাংশ। এদিকে, জেলা জুড়ে ক্রমশই করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় জায়গায় জায়গায় সরকারী উদ্যোগে সেফ হোমের পাশাপাশি করোনা ভ্যাকসিন সেণ্টার তৈরী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 


শুক্রবার জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, গোটা জেলার পাশাপাশি জেলার বর্ধমান শহরে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। শুত্রুবারও বর্ধমান পুরসভা এলাকায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৫ জন। তাই জেলার চলতে থাকা সরকারী হাসপাতাল ছাড়াও শহরের চারদিকে চারটি নতুন করে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান সেণ্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার থেকে করোনার প্রথম ডোজ ফের চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাই শহরের পাশাপাশি সমস্ত ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকেও এব্যাপারে তৈরী থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 


পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এই জেলায় সরকারী হাসপাতাল এবং সেফ হোমগুলিতে ভর্তির কোনো সমস্যা নেই। এমনকি করোনা রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রেরও কোনো ঘাটতি নেই। করোনা ভ্যাকসিন সরকারীভাবে যেরকম আসছে তাঁরা সেভাবেই দেবার চেষ্টা করছেন।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});