Headlines
Loading...
করোনা চিকিৎসায় বর্ধমানে চালু হলো আরও একটি ২০ বেডের কোভিড হাসপাতাল

করোনা চিকিৎসায় বর্ধমানে চালু হলো আরও একটি ২০ বেডের কোভিড হাসপাতাল


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: বুধবার থেকে চালু হয়ে গেল বর্ধমান শহরের জলকল মাঠে পুরসভার প্রান্তিকা কমিউনিটি ভবনে কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। প্রথম ধাপে ২০টি বেড নিয়ে এই হাসপাতালের উদ্বোধন করলেন বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। অন্যান্যদের মধ্যে এদিন উপস্থিত ছিলেন কোভিড কেয়ার সেণ্টারের কর্ণধার কোভিড -১৯ বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য চিকিৎসক অভিজিত চৌধুরী, বর্ধমান পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ সহ অন্যান্যরা।


 এদিন বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, আপাতত ২০টি বেড নিয়ে এই হাসপাতাল শুরু হল। প্রয়োজন বোধে আরও বেড বাড়ানো হবে। এই হাসপাতাল তৈরী করলেন লিভার ফাউণ্ডেশন এবং কোভিড কেয়ার সেণ্টার। সহযোগিতায় রয়েছেন বর্ধমান পুরসভা। এদিন খোকন দাস জানিয়েছেন, যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রাথমিক ধাপে তাঁরা এখানে থাকতে পারবেন নিখরচায়। রোগীর আরও কোনো বৃহত্তর চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাঁদের অন্যত্র পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থাও থাকছে। তিনি জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রে রোগী করোনা আক্রান্ত হবার পর তাঁদের সেফ হোমে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁরাও এখানে থাকতে পারবেন।




 এদিন এই হাসপাতালের উদ্বোধন করতে গিয়ে খোকন দাস ফের সাধারণ মানুষকে সরকারী চিকিৎসা পরিষেবা নেবার আবেদন জানিয়েছেন। কার্যত তিনি এদিন ফের তোপ দেগেছেন বেসরকারী নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়েছেন, অনেকেই মনে করছেন সরকারী হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রে সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না। এটা একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। হাসপাতালে যাঁরা ভর্তি হচ্ছেন তাঁরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু বেসরকারী নার্সিংহোমে অনেকে ভর্তি হচ্ছেন আবার মারাও যাচ্ছেন। তার ওপর বেসরকারী নার্সিংহোমের কেউ কেউ অতিরিক্ত বিল করছেন। এব্যাপারে তাঁদের সতর্কও করা হয়েছে বলে এদিন বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন। 


উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বেসরকারী নার্সিংহোমের এই অতিরিক্ত বিল নিয়ে তিনি চিঠি দেন জেলা মুখ্যস্বাস্থ্যাধিকারিককে। তার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত নার্সিংহোমগুলিকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও কনফারেন্সও করা হয়। কড়াভাবেই সতর্ক করা হয়েছে নার্সিংহোমগুলিকে। এদিন প্রান্তিকায় এই কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল তৈরী সম্পর্কে পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে যখন এই প্রস্তাব আসে তখনই তাঁরা স্বাগত জানান। তিনি জানিয়েছেন, এই হাসপাতালে কেবল পুরসভার বাসিন্দারাই নন, সকলেই চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। বিধায়ক খোকন দাস জানিয়েছেন, এই হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ধমান শহরের বেশ কিছু প্রাক্তন ছাত্র এগিয়ে এসেছেন। বর্ধমানের সিএমএস স্কুলের প্রাক্তনীদের পক্ষ থেকে একটি এ্যাম্বুলেন্সও দান করা হয়েছে।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});