Headlines
Loading...
পুলিশ দিবসে প্রবীণদের জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ চালু করল সন্মান প্রকল্প, চুরি যাওয়া ১১০টি মোটরবাইক উদ্ধার, পাকড়াও চুরির গ্যাং

পুলিশ দিবসে প্রবীণদের জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ চালু করল সন্মান প্রকল্প, চুরি যাওয়া ১১০টি মোটরবাইক উদ্ধার, পাকড়াও চুরির গ্যাং


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: গত প্রায় ৪ মাসে পুর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে লাগাতার মোটর বাইক চুরির ঘটনায় জেলা পুলিশ ৪টি বড় গ্যাংকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হল। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১১০টি চোরাই মোটরবাইক এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪টি গ্যংয়ের মোট ১২জনকে। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, গত ৪মাস ধরে পূর্ব বর্ধমান জেলা এবং পাশ্ববর্তী জেলাগুলিতে বেশ কয়েকটি মোটর বাইক চুরির গ্যাং কাজ করছিল। জেলা পুলিশ লাগাতার অভিযান চালিয়ে এই মোটরবাইকগুলি উদ্ধার করেছে। 


এদিন এই চুরি যাওয়া মোটরবাইকের মধ্যে ২৯টি মোটরবাইক মালিকের হাতে তুলেও দেওয়া হয় আদালতের নির্দেশে। জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, এদিন মোট ৩০জন মালিকের হাতে তাঁদের মোটরবাইকগুলি তুলে দেবার কথা থাকলেও একজন আসতে পারেননি। তিনি জানিয়েছেন, বাকি ৮০টি মোটরবাইকের মধ্যে পার্শ্ববর্তী জেলারও কিছু মোটরবাইক রয়েছে। সেগুলি আইন মেনে অন্য জেলার হাতে তুলে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে অন্য মালিকদের হাতেও তা ধাপে ধাপে তুলে দেওয়া হবে। 


অপরদিকে, মঙ্গলবার গোটা রাজ্যের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও পালিত হল পুলিশ দিবস। এদিন বর্ধমান পুলিশ লাইনে পুলিশ দিবস উপলক্ষে ২টি পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  এদিন পুলিশ লাইনে পুলিশ দিবস উপলক্ষে জেলা পুলিশ 'সম্মান' নামে একটি প্রকল্প চালু করলেন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন আই জি বি.এল.মীনা। তিনি জানিয়েছেন, কলকাতা, বিধাননগরের পর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও প্রবীণ নাগরকিদের পাশে সর্বদা থাকার জন্য এই প্রকল্প চালু করলেন। কিন্তু এটা যেন কেবলমাত্র আনুষ্ঠানিক না হয়ে যায়। লাগাতার এবং ধারাবাহিকভাবে এটা চালিয়ে যেতে হবে। যেন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রবীণ একাকীত্বে থাকা নাগরিকরা কখনই না ভাবেন পুলিশ আলাদা কোনো সমাজে থাকে। পুলিশও যে তাঁদের পাশেই সবসময়ের জন্য আছেন এটা বোঝানোর জন্য যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন তাঁরা যেন নিয়মিত তাঁদের দেখভাল করবেন। নিয়মিত তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষারও ব্যবস্থা থাকা দরকার। 


আইজি এদিন বলেন, আগের সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে এখনকার সমাজব্যবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। বৃদ্ধ বাবা মাকে ছেড়ে দিয়ে ছেলেমেয়েরা বাইরে চলে যাচ্ছেন। যোগাযোগহীন আর একাকীত্বে থাকছেন বাবা মারা। তাই তাঁরা যখনই সাহায্য চাইবেন তখনই যেন তাঁদের পাশে দাঁড়ানো যায় – সেই উদ্যোগ থাকতে হবে। এরকম যেন না হয়, এখন ব্যস্ত তাই তাঁদের কথা শোনা হল না, সহায়তা করা হল না। তাহলে এই প্রকল্পের স্বার্থকতা থাকবে না। এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় সম্মান নামক এই প্রকল্পের সূচনা হল ৫০টি পরিবারকে নিয়ে। আস্তে আস্তে তা বাড়ানো হবে বলে জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন।


(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});