Headlines
Loading...
বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সরছে করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা পরিষেবা

বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সরছে করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা পরিষেবা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: হাওড়া জেলা হাসপাতালের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের নির্দেশে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা ইউনিটকে। রাজ্য সরকারের নির্দেশে সোমবারই বর্ধমান শহরের দুই প্রান্তে দুটি বেসরকারী হাসপাতালকে করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে চিকিৎসার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। 

সোমবার দুটি বেসরকারী হাসপাতাল পরিদর্শন করেন 
বীরভূম,বাঁকুড়া,পুরুলিয়া সহ দুই বর্ধমান জেলার কোভিড-১৯ এর নোডাল অফিসার তথা রাজ্য উপজাতি উন্নয়ন দপ্তরের সচিব রাজেশ সিনহা, জেলাশাসক বিজয় ভারতী, জেলা মুখ্য স্বাস্থাধিকারিক ডা. প্রণব রায়, হাসপাতাল সুপার প্রবীর সেনগুপ্ত প্রমুখরা। প্রথম দিকে করোনা হাসপাতাল হিসাবে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে চিহ্নিত করা হলেও তা বাতিল করা হয়েছে। পরিবর্তে শহরের দুই প্রান্তে দুটি বেসরকারী হাসপাতালকে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গাংপুর এলাকার ক্যামরি হাসপাতাল এবং গোদায় বেঙ্গল ফেথ মেডিকা হাসপাতাল। 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট ৬০টি আইসোলেশন বেড তৈরী রাখা হয়েছিল করোনা রোগীদের জন্য। রাজ্য সরকারের নির্দেশে এই দুটি বেসরকারী হাসপাতালকে চালু করে দেবার সঙ্গে সঙ্গে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে করোনা সংক্রান্ত সমস্ত চিকিৎসাই বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই দ্রুততার সঙ্গে ওই দুটি বেসরকারী হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসাবে চালু করে দেওয়া হবে।


একইসঙ্গে এই দুটি বেসরকারী হাসপাতালে যে সমস্ত রোগীরা রয়েছেন তাঁদের বর্ধমান মেডিকল কলেজ হাসপাতাল এবং অন্যান্য বেসরকারী নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হবে। এদিকে, মঙ্গলবার এই দুটি বেসরকারী হাসপাতালের পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকও করেন রাজেশ সিনহা। অপরদিকে, ভিন দেশ থেকে আসা ২৭৯ জনের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ২৭১ জনকে যাঁদের হোম করেণ্টাইনে রাখা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে ২৮জনকে বিপদমুক্ত বলে হোম করেণ্টাইন থেকে মুক্ত করা হল। যদিও এখনও বিদেশ থেকে আসা ৮জনের কোনো হদিশই করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। আদপেই তাঁরা এই জেলায় এসেছেন কিনা সে সম্পর্কেও সঠিক কোনো তথ্য এখনও হাতে আসেনি জেলা প্রশাসনের কাছে। 

অপরদিকে, জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় ৩২ হাজার ৮৩০জনকে হোম করেণ্টাইনে রাখা হয়েছে। যদিও জ্বর, সর্দি, কাশি প্রভৃতি উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই রোগীদের ভর্তির সংখ্যা বাড়লেও করোনা সংক্রান্ত কোনো পজিটিভ কেস এখনও জেলায় নেই বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে, মঙ্গলবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ যে দুটি বেসরকারী হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তোলা হচ্ছে সেই দুটি হাসপাতালকে জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু করে দিল দমকল বিভাগ। এদিন বর্ধমান হাসপাতালের বেশ কিছু ওয়ার্ডকে স্যা্নিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

0 Comments: