Headlines
Loading...
করোনার জের - ইয়ার এন্ডিং পিছিয়ে ৩০ জুন করার আবেদন জানালো বণিক সংগঠন

করোনার জের - ইয়ার এন্ডিং পিছিয়ে ৩০ জুন করার আবেদন জানালো বণিক সংগঠন


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের জেরে এবার আর্থিক বছরের শেষ সময়সীমাকে আরও একমাস পিছিয়ে দেবার আবেদন জানালো কনফেডারেশন অফ ওয়েষ্ট বেঙ্গল ট্রেড এ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের সহ সভাপতি মহেন্দ্র সিং সালুজা জানিয়েছেন, গোটা দেশ জুড়ে করোনা ভাইরাসের জেরে এমনিতেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিতে চরম আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তার ওপর চলতি মার্চ মাসের শেষে অর্থাৎ ৩১এ মার্চের মধ্যে বাৎসরিক হিসাব নিকাশ পেশ করায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ৩১ মার্চের এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই এই কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের জেরে কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী যে জনগণের কার্ফুর ঘোষণা করেছিলেন তা সংগঠনগত ভাবে পালন করা হয়েছে। মহেন্দ্র সিং সালুজা জানিয়েছেন, এটা কারফিউ নয়, বরং বলা উচিত কেয়ার ফর ইউ। এদিকে, কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে বাৎসরিক হিসাব নিকাশ পেশ করার দিন পিছিয়ে দেবার দাবী জানালেও খোদ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির জেরে ৩১ মার্চের সময়সীমা পিছিয়ে দেবার বিষয়ে এখনও কোনো নির্দেশ আসেনি। 

জেলা প্রশাসনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে সরকারী সমস্ত হিসাব নিকাশ কিংবা আয় ব্যয়ের যাবতীয় তথ্যই কমপিউটার মাধ্যমে হওয়ায় আগের মত দিনরাত জেগে আর্থিক বছরের হিসাব তৈরী করা হয় না। কার্যত সমস্ত হিসাব নিকাশই এখন কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতেই তৈরী হয়। অপরদিকে, খোদ জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নতুন আর্থিক বছরে ১৫তম ফিনান্স কমিশন চালু হতে চলেছে। ফলে বেশ কিছু প্রকল্পের রদবদল হচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, পরবর্তী তিন মাসের কি কি কাজ করা হবে তা আগাম ৩ মাস আগে জানাতে হবে। নয়া নিয়ম চালু হলে ২০২১-২০২২ আর্থিক বছর তথা বছর শেষে হিসাব নিকাশ দাখিল করার প্রয়োজন প্রায় হবেই না। কারণ বর্তমানে প্রকল্পের টাকা পিএল এ্যাকাউণ্টে রাখার ক্ষেত্রে সরকারী কড়া নির্দেশিকা রয়েছে। 

এরই পাশাপাশি জানা গেছে, নয়া এই নির্দেশিকায় চলতি মার্চ মাসের মধ্যেই আগামী ৩ মাসে কি কি কাজ করা হবে তার হিসাব দাখিল করার কথা। কিন্তু ১৫তম ফিনান্স কমিশনের নয়া নির্দেশিকা তথা প্রকল্প খাতে বেশ কিছু রদবদল হওয়ায় সেই রদবদল অনুসারেই হিসাব তথা প্ল্যানিং জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু চলতি করোনা ভাইরাসের জেরে তা তৈরী করার ক্ষেত্রে সময় কম থাকায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। শনিবারই এব্যাপারে জেলার সমস্ত বিডিওকে এব্যাপারে নির্দেশিকাও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

0 Comments: