728x90 AdSpace

Latest News

Saturday, 8 February 2020

প্রায় পাঁচ মাস নিখোঁজ থাকার পর ছেলের কঙ্কাল সনাক্ত করলেন বাবা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,জামালপুর: শুত্রুবার সন্ধ্যায় জামালপুর থানার পুলিশ মসাগ্রাম ও চাচাই স্টেশনের মাঝে মোহনপুর গেটের কাছে জমি থেকে উদ্ধার করলো এক ব্যক্তির কঙ্কাল। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মৃতের আধারকার্ড,ট্রেনের টিকিট সহ আরো কিছু জিনিস উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

মৃতের কাছে পাওয়া আধার কার্ডের নাম ও ঠিকানার সূত্র ধরে বর্ধমানের দেওয়ানদীঘি থানায় যোগাযোগ করে জামালপুর থানার পুলিশ। এরপর দেওয়ানদীঘি থানার পুলিশ ভান্ডারডিহি এলাকার বাসিন্দা মৃত ব্যক্তির পরিবারকে দেহ সনাক্ত করার জন্য খবর দেয়। শনিবার জামালপুর থানায় পৌঁছে মৃত সৌমেন ঘোষের দেহ সনাক্ত করেন মৃতের বাবা প্রতাপ ঘোষ।

প্রতাপ বাবু জানিয়েছেন, প্রায় ছ মাস আগে রণজিৎ ঘোষ নামে এক ব্যক্তি বেশি টাকার মাইনে দেবার কথা বলে ছেলেকে কলকাতা নিয়ে যায় কাজের জন্য। কলকাতার বারুইপুরে একটি কোম্পানিতে কাজ করছিল বলে ছেলে সৌমেন তাঁকে জানিয়েছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মাসের ১৫ তারিখ বাড়ি ফিরছে বলে জানানোর পর থেকে আর ফেরেনি। পরেরদিন দেওয়ানদীঘি থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। প্রতাপ বাবু জানিয়েছেন, গত জানুয়ারি মাসে আরেকটি অভিযোগ জানানো হয়েছিল ছেলেকে অপহরণ করার। পুলিশ দুটি অভিযোগেরই তদন্ত চালাচ্ছিল। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুত্রুবার সন্ধ্যায় মসাগ্রাম স্টেশনের কাছে এক মহিলা গরু আনতে গিয়ে রেল লাইনের ধারে একটি কঙ্কাল দেখতে পায়। গ্রামবাসীরা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করে। মৃতের কাছ থেকে একটি আধার কার্ড, সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখের সকাল ৯ টা ১৫মিনিটের ট্রেনের একটি টিকিট সহ কিছু টাকা ও কাগজপত্র উদ্ধার করে। এরপর এই আধার কার্ডের ঠিকানা ধরে দেওয়ানদীঘি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জামালপুর থানার পুলিশ। এরপরই জানতে পারা যায় সৌমেন ঘোষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর একটি ডায়রি লিপিবদ্ধ হয়েছিল দেওয়ানদীঘি থানায়। খবর দেওয়া হয় মৃত সৌমেন ঘোষের ভান্ডারডিহির বাড়িতে। 

পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কংকাল টিকে ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রায় পাঁচ মাস নিখোঁজ থাকার পর ছেলের কঙ্কাল সনাক্ত করলেন বাবা
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a comment

Top