728x90 AdSpace

Latest News

Tuesday, 3 December 2019

মাধবডিহি তে রক্তাক্ত এক তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার কে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,মাধবডিহি: এক তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার কে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহি তে। প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম অনিল মাঝি(47)। তাঁর বাড়ি মাধবডিহি থানার আলমপুর পূর্ব পাড়া এলাকায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবার পর রাত্রে আর বাড়ি ফেরেননি অনিল মাঝি। এরপর এদিন সকালে মাধবডিহি থেকে থানার ঢিল ছোঁড়া দূরত্ব হাট পুকুরের পারে অনিল মাঝিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।


স্থানীয় সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মৃতের মাথায় জোড়ালো আঘাতের চিহ্ন ছিল। যে স্থানে দেহটি পাওয়া গেছে সেখানে প্রচুর রক্ত দেখা গেছে। যার জেরে অনুমান করা হচ্ছে ওই ব্যক্তিকে কেউ বা কারা খুন করে ফেলে দিতে পারে। যদিও মাধবডিহি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায় সহ জেলা পুলিশের একাধিক আধিকারিক। এদিকে এটি কোনো রাজনৈতিক খুন নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এই ঘটনা সে ব্যাপারে ও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায় জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে এটি একটি খুনের ঘটনা বলেই মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সঠিক করে কিছু বলা যাবেনা। তদন্ত শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে রায়না বিধানসভার বিধায়ক নেপাল ঘরুই বলেন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী অনিল মাঝিকে,তিনি জানান, গতকাল রাত সাড়ে দশটা নাগাদ পার্টি অফিস থেকে বাড়ি ফিরছিলেন অনিল মাঝি। সেই সময় বিজেপির বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে ফাঁদ পেতে ছিলো। সেই মোতাবেক নৃশংস ভাবে খুন করে অনিল মাঝিকে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। সঙ্গে থাকা তার মোটর সাইকেল টিকেও পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। নেপাল ঘরুই অভিযোগ করেছেন, যে স্থানে ঘটনা ঘটেছে সেখানে প্রায় দিনই বিজেপির কয়েকজন দুষ্কৃতী মদের আসর বসায়। এদিনও অনিল মাঝি যখন বাড়ি ফিরছিলেন ওই দুষ্কৃতীরাই মদ্যপ অবস্থায় অনিল মাঝি কে নৃশংস ভাবে খুন করে।

আজ মৃত পরিবারের পাশে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতি স্বপন দেবনাথ, ছিলেন খোকন দাস,দেবু টুডু ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ পুলিশ মর্গে এসে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ মৃত অনিল মাঝির মরদেহে ফুলের মালা দিয়ে আত্মার শান্তি কামনা করেন। স্বপন বাবু বলেন, মৃত অনিল মাঝির পরিবারের পাশে দল আছে এবং সবরকম সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়ে দেবেন।তিনি এই  মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য সরাসরি বিজেপি নেতা কর্মীদের দায়ী করেছেন। অবিলম্বে তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানান মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।


অনিল মাঝির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাঁর চার মেয়ে, একটি ছেলে। মেয়েদের সকলের বিয়ে হয়ে গেছে। অনিল বাবু তৃণমূলের সর্বক্ষণের কর্মী ছিলেন। সেই ভাবে কোনো রোজগার না থাকায় অতি কষ্টেই সংসার চালাতেন অনিল বাবু। এদিকে অনিল মাঝির মৃতদেহ উদ্ধারের পরেই এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনার পাশাপাশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 
                                 বিস্তারিত আসছে
মাধবডিহি তে রক্তাক্ত এক তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার কে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top