Headlines
Loading...
বর্ধমান পরিবহণ দপ্তর থেকে সরছে নতুন লাইসেন্সের কাজ!

বর্ধমান পরিবহণ দপ্তর থেকে সরছে নতুন লাইসেন্সের কাজ!


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: পরিবহণ দপ্তর থেকে সরছে নতুন গাড়ির লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট অব ফিটনেস সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ। পরিবর্তে এবার সেই কাজ করবে সংশ্লিষ্ট গাড়ি সংস্থাগুলি। আর এই ঘটনায় একদিকে যেমন মোটর ভেহিকেলসের এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ শংকিত হয়ে পড়েছেন, তেমনি সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখছেন। 

বর্ধমান জেলা পরিবহণ দপ্তর সূত্রে যদিও এখনও এব্যাপারের কোনো সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনেকদিন ধরেই তাঁরা এই নিয়ম লাগু হওয়ার কথা শুনছেন। কিন্তু এখনও সরকারী নির্দেশ তাঁরা হাতে পাননি। একই কথা বলেছেন বর্ধমান জেলা পরিবহণ দপ্তর কমিটির সদস্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বনমালী হাজরাও। তিনিও জানিয়েছেন, এখনও এই ধরণের কোনো নির্দেশ তিনি হাতে পাননি। অন্যদিকে, শুত্রুবার মোটর ভেহিকেলসের কাজে যুক্ত অল বেঙ্গল ভেহিকেলস ওনার্স রিপ্রেজেনটেটিভ এ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে মন্দা বাজারে এমনিতেই গাড়ি কেনার পরিমাণ অনেকটা কমে গেছে। তার ওপর সরকার যদি গাড়ির নতুন লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট অব ফিটনেসের কাজ পরিবহণ দপ্তর থেকে সরিয়ে মোটর বিক্রেতাদের হাতে তুলে দেন তাহলে এই কাজের সঙ্গে হাজার হাজার কর্মী চরম সংকটে পড়বেন। 

এই সংগঠনের প্রাক্তন সম্পাদক শিশির কোলে জানিয়েছেন, কেবলমাত্র বর্ধমান জেলা পরিবহণ দপ্তরেই এই কাজের সঙ্গে যুক্ত প্রায় এক হাজার মানুষ। যাঁরা সাধারণ মানুষকে এই কাজ করিয়ে দিয়ে কিছু অর্থ উপার্জন করেন। এটাই তাঁদের রুজিরুটি বা পারিশ্রমিক। যদিও পাল্টা সাধারণ মানুষের অভিমত, এই কাজ করতে গিয়ে তাঁদের দালালী বাবদ অনেক বেশি অর্থ দিতে হয়। এমনকি অনেক সময় তাঁদের হয়রানিরও শিকার হতে হয়। যদিও এই যুক্তি মানেননি শিশিরবাবুরা। তিনি জানিয়েছেন, আরটিও দপ্তর থেকে এই কাজ সরে গিয়ে মোটর বিপণনকারীদের হাতে গেলে তাঁরা ক্রেতাকে নতুন লাইসেন্স বাবদ যা দিতে বলবেন তাই তাঁরা দিতে বাধ্য থাকবেন। ফলে বাস্তবে সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। শিশিরবাবু জানিয়েছেন, সরকারী এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাঁরা সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন জানাতে চলেছেন।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});