Headlines
Loading...
রাজ্যের উন্নয়নের জন্য সরকার ঋণ করলেও তাতে দোষ নেই - শোভনদেব

রাজ্যের উন্নয়নের জন্য সরকার ঋণ করলেও তাতে দোষ নেই - শোভনদেব


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: দেশের উন্নতিই বড় কথা। তার জন্য ঋণ করলেও কোনো দোষ নেই। কারণ একটি কথা প্রচলিত আছে ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেত, যাবত জীবেত সুখং জীবেত। অর্থাত যতদিন বাঁচো ঋণ করে হলেও ঘি খেয়ে যাও। মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে রাজবাটি ক্যাম্পাসে শারদীয়া, দীপাবলি, ঈদ এবং ছট পুজো উপলক্ষে প্রীতি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। 

তিনি এদিন বলেন, অনেকেই সমালোচনা করে বলছেন, তৃণমূল সরকার ঋণের বোঝা বাড়িয়েই চলেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে সম্পদ সৃষ্টি না হলে কোনো রাজ্যই উন্নতি করতে পারে না। তাই সম্পদ সৃষ্টির জন্য ঋণ করা হলে তাতে কোনো দোষ নেই। শোভনদেব এদিন বলেন, সবাইকেই এই উন্নতির জন্য এগিয়ে আসতে হবে। কেবলমাত্র ধর্ম ধর্ম করলে পেট ভরবে না। ধর্ম মন ভরায় কিন্তু পেট ভরায় না। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজবাটি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পুর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, তৃণমুল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির সম্পাদক শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি প্রমুখরা। শোভনদেব বাবু এদিন বলেন, গত ৭ বছরে গোটা বাংলায় পরিকল্পনা খাতে ব্যয় বেড়েছে ৫ গুণ। বাম আমলে বিরাট দেনা মাথায় নিয়েই মমতা বন্দোপাধ্যায় গোটা রাজ্যের উন্নতি ঘটাচ্ছেন। সম্পদ সৃষ্টি ছাড়া কোনো রাজ্যের উন্নতি হতে পারেনা। কিন্তু দেশ এখন বড় বিপদের মুখে। কেন্দ্র সরকারের ভ্রান্ত নীতির জন্য বাড়ছে বেকারী, চাষী আত্মহত্যা করছে, বন্ধ হচ্ছে কলকারখানা। সব থেকে বড় বিপদ নেমে এসেছে নোট বাতিলের ফলে। 

অন্যদিকে, এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস এদিন বলেন, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূলের নাম করে বেশ কয়েকটি ধাপ্পাবাজ সংগঠন রয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই তারা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এই সমস্ত ধাপ্পাবাজ সংগঠনগুলির সঙ্গে কেউ যাবেন না। অপরদিকে, বক্তব্য রাখতে গিয়ে বর্ধমান জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু এদিন বলেন, বাংলায় এসে যারা বাংলার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। বাংলায় থাকতে গেলে মমতা ব্যানার্জীর উন্নয়ন প্রকল্পকে হাততালিই দিতে হবে। তিনি বলেন, বাংলার মাটি মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশের মাটি নয়, এ মাটি অত্যন্ত শক্ত মাটি। এখানে বেশি নাচানাচি করতে গেলে পড়ে গিয়ে হাত-পা, কোমড় ভেঙ্গে যাবে।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});