Headlines
Loading...
সংকটে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ মর্গের শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, উদাসীন কতৃপক্ষ

সংকটে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ মর্গের শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, উদাসীন কতৃপক্ষ


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গের জন্য বছরখানেক আগে কয়েক লক্ষাধিক টাকা মূল্যের আধুনিক জেনারেটর বসানো হলেও তা আজও চালু হলনা। ফলে বিদ্যুত বিভ্রাট ঘটলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে মর্গে। 

জানা গেছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বছর খানেক আগে বর্ধমানের এই পুলিশ মর্গের আধুনিকীকরণ করেন। নতুন করে সেখানে মৃতদেহ রাখার জন্য ৬টি ড্রয়ার চালু হয়। একইসঙ্গে মর্গ থেকে যে দুর্গন্ধে গোটা এলাকা ভরে থাকত এবং যা নিয়ে দফায় দফায় আপত্তিও ওঠে - সেগুলিকে দূর করার জন্য গোটা মর্গেই লাগানো হয় আধুনিক এয়ারকণ্ডিশনিং ব্যবস্থা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে এজন্য বসানো হয় আধুনিক পরিবেশ বান্ধব একটি জেনারেটর। আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৮ সালের বিশ্বকর্মা পুজোর আগে তা উদ্বোধনও হয়। হাসপাতালের কর্মী সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনের দিনই বিদ্যুত বিভ্রাট থাকায় নতুন ওই জেনারেটরকে চালু করা হয়। কিন্তু জেনারেটরের তেল শেষ হয়ে যাবার পর তা আর চালু হয়নি। ফলে অত্যাধুনিক জেনারেটরের উদ্বোধনের পরই বন্ধ হয়ে যায়। 

উল্লেখ্য, বর্ধমানের এই পুলিশ মর্গে দীর্ঘদিন ধরেই বেসরকারীভাবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন আধুনিক লক্ষাধিক টাকার জেনারেটর বসানো এবং তা বন্ধ হয়ে যাবার পর পুরনো জেনারেটরের বদলে সেখানে নতুন করে ফের একটি জেনারেটর বসানো হয়েছে বেসরকারী উদ্যোগেই। সেই জেনারেটরই বর্তমানে গোটা মেডিকেল কলেজকে বিদ্যুত সরবরাহ করলেও মর্গে কোনো জেনারেটরের ব্যবস্থাই নেই। ফলে কোনো কারণে বিদ্যুত বিভ্রাট ঘটলে চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে মর্গের কর্মীদের। যদিও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বারবার মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগ থেকে ওই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের জেনারেটরটি চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তরেই আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তা আজও চালু হয়নি। ফলে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রটি। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই দামী যন্ত্র বসানো হলেও তা পরিচালনা কারা করবেন সে বিষয়ে এখনও কোনো টেণ্ডারই ডাকা হয়নি। এদিকে, এবিষয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ডা. অমিতাভ সাহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানিয়েছেন, এব্যাপারে যা বলার বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষা বলবেন। অন্যদিকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষা সুহৃতা পালকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});