728x90 AdSpace

Latest News

Thursday, 5 September 2019

দেশ জুড়ে পশুবলি বন্ধ করতে এবার পথে নামছে বর্ধমানের একটি পশুপ্রেমী সংগঠন


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: আসন্ন দুর্গাপুজো এবং কালীপূজো উপলক্ষ্যে দেশ জুড়ে পশুবলি বন্ধের আবেদন নিয়ে এবার রাস্তায় নামতে চলেছে ভয়েস ফর ভয়েসলেশ নামে একটি পশুপ্রেমী সংগঠন।বর্ধমানের এই পশুপ্রেমী সংগঠন পূজোর নামে পশুবলি বন্ধে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র এবং সিপিএমের রাজ্য কমিটির কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। 

সংগঠনের বর্ধমান জেলা সভাপতি অভিজিত মুখার্জ্জী জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁরা পশুদের ওপর অত্যাচার বন্ধের জন্য কাজ করছেন। এবার তাঁরা সংস্থাগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুজোর নামে এই পশুবলি বন্ধের জন্য জনমত গড়ে তুলবেন। আর এব্যাপারে খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং সমস্ত স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রধানদের কাছেও বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এগিয়ে আসার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রেখে মানবিক দিক থেকে গোটা বিষয়টি বিচার করে এব্যাপারে সরকারীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানানো হয়েছে। 

অভিজিতবাবু জানিয়েছে্ন, বৃহস্পতিবারই তাঁরা এই আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন দেশের সর্বময় কর্তাদের কাছে। তিনি জানিয়েছেন, কোনো পিতামাতাই যেমন তাঁর সন্তানের বিনাশ চাইতে পারেন না, তেমনই পুজোর নামে, মায়ের নামে এই পশুবলিও কখনও কোনো মায়ের কাম্য হতে পারে না। তিনি জানিয়েছেন, আগামী রবিবার থেকে দেশ জুড়ে এই পশুবলি বন্ধের জন্য তাঁরা একটি ট্যাবলোর মাধ্যমে প্রচার শুরু করছেন। পশুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করা এবং পশুবলি বন্ধের জন্য তাঁরা এই জনসচেতনতা গড়ে তুলতে চাইছেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি এবং হিউম্যানিষ্টস এ্যাসোসিয়েশন এই পশুবলি বন্ধের জন্য আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। 

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে তৎকালীন জেলাশাসক ডা. সৌমিত্র মোহনের উদ্যোগে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে মোষ বলি এবং বর্ধমান শহরের কালীবাজারের বড়মা (কালী) মন্দিরে পশুবলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৬০ সালের পশুদের ওপর হিংস্রতা নিবারণ আইন সহ অন্যান্য আইন অনুযায়ী প্রকাশ্যে পশু হত্যা নিষিদ্ধ। এই আইন অনুসারেই কেবল ধর্মীয় স্থান নয় প্রকাশ্যে গরু, ছাগল, মুরগী কাটাও নিষিদ্ধ।
দেশ জুড়ে পশুবলি বন্ধ করতে এবার পথে নামছে বর্ধমানের একটি  পশুপ্রেমী সংগঠন
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

7 comments:

  1. Very good.. I am also from Burdwan. I would like to join with your movement

    ReplyDelete
  2. শরৎ বাবু লালুকে দিয়ে যেটা বন্ধ করতে পারেন নি, দেখুন যদি পারেন।
    কারণ এই ব্যাধিটা রক্তে মিশে আছে, মনে হয় না সহজে সারবে।

    ReplyDelete
  3. জানি ঈদের পর আপনাদের ঘুম ভাঙবে। এগিয়ে আসুন আমরাও আপনাদের ঠ্যাং ভাঙার অভিযানে তৈরি ।সুস্বাগতম্ ।

    ReplyDelete
  4. Its a noble initiative no doubt but as far as my knowledge goes... there is a proverb.."Practice what you preach" orthat jeta prochar kore berachhen sheta age nije palon korun. I would be highly intrigued to know if these fellows are initiating these movements from their own plate... if not they we must be convinced that these are a bunch of obnoxious hypocrites associated with the mischievous and notorious activity of selectively attacking hindu rituals and institutions to masquerade as someone highly liberal and immensely rational... Jodi bolen joto hingsha shob boli tei hoi r nijera gograshe mangsho khawar shomoi the violence just sublimates into air,..that would be the most hilarious excuse..most importantly I would like to clarify if such activities are carried out even during the times of bakri eid etc or do you find violence being meted out only during the animal sacrifice ritual associated with Durga puja and Kali puja

    ReplyDelete
  5. Baler birodh . Jokhon ei posu premirai gota gota murgi r thang r pathar mangso chibai tokhon kothai jai tader ei prem.
    Ei boli protha kokhonoi bondho hoy ni r future e karo babar dom nei bondho korar.

    ReplyDelete
  6. Real Animals activists and vegetarian or vegan they can protest this matter otherwise any non vegetarian person can't protest it.

    ReplyDelete

Top