Headlines
Loading...
বর্ধমানে ৫দিনের ব্যবধানে ফের ব্যবসায়ীকে বিপুল টাকা চেয়ে হুমকি ফোন, দোকানে বোমাবাজি,চাঞ্চল্য

বর্ধমানে ৫দিনের ব্যবধানে ফের ব্যবসায়ীকে বিপুল টাকা চেয়ে হুমকি ফোন, দোকানে বোমাবাজি,চাঞ্চল্য



ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: ফোন করে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে হুমকি দিয়ে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় মোড়ের প্রতিষ্ঠিত ইলেক্ট্রিক্যাল দোকানে বোমা মেরে আতঙ্ক তৈরী করার মাত্র ৫ দিনের মাথায় ফের বর্ধমান শহরে তোলাবাজির টাকা চেয়ে হুমকি,বোমাবাজির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লো ব্যবসায়ী মহলে। শুক্রবার রাত্রি প্রায় ১১ টা নাগাদ বর্ধমান শহরের টাউন হলের সামনে একটি নামকরা বিরিয়ানীর দোকানের মালিক রতন সোনকারকে ১০ লক্ষ টাকা চেয়ে প্রথম ফোন করা হয়। তারপরই দোকান লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় বোমা। বোমার আঘাতে দোকানের ৫ জন কর্মী জখম হন। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বোমা ছোঁড়ার পরও রতনবাবুকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয়, শনিবার সকাল ১০টায় যেন তাঁরা ওই দোকানে ১০ লক্ষ টাকা মজুদ রাখেন। যদিও শনিবার কেউই ওই টাকার সন্ধানে ওই দোকানে আসেনি। 

কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো তা নিয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, গত ১৯ আগষ্ট একইভাবে বর্ধমানের খাগড়াগড় এলাকায় একটি ইলেকট্রিকের দোকানের সামনে বোমা রেখে ৫ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। এমনকি দোকানের সামনে আস্ত একটি তাজা বোমা রেখে দুষ্কৃতিরা হুঁশিয়ারী দেয় - এটা তো ট্রেলার। আসল ছবি বাকি আছে। টাকা না পেলে সেই ছবি দেখানো হবে। সেই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।এরই মধ্যে একই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তির ঘটনায় পুলিশী নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় শনিবার ব্যবসায়ী সমিতি জোড়ালো পদক্ষেপ নেবার জন্য আলোচনা করেছেন। এদিন এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের চেম্বার অফ ট্রেডার্সের সম্পাদক চন্দ্র বিজয় যাদব জানিয়েছেন, তাঁরা এই ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার দাবী সহ পরপর এই ঘটনায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন। চন্দ্র বিজয় জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুলিশ সুপার। চন্দ্রবিজয় জানিয়েছেন, সোমবার বর্ধমানে প্রশাসনিক সভায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে এই ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তিনি জানিয়েছেন,পুলিশ যদি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা দিতে না পারে তাহলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। প্রয়োজনে তাঁরা বর্ধমান অচল করে দেবেন। অন্যদিকে, ব্যবসায়িক সুরক্ষা সমিতির সদস্য শীর্ষেন্দু সাধু জানিয়েছেন, তাঁরা গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারলে তাঁরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত আলোচনা করে ঠিক করবেন।

0 Comments: