Headlines
Loading...
বর্ধমান জেলা জুড়ে বিদ্যুত চুরির ঘটনায় ৮৬৬টি কেস দায়ের

বর্ধমান জেলা জুড়ে বিদ্যুত চুরির ঘটনায় ৮৬৬টি কেস দায়ের


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে বিদ্যুতের লোকসান ঠেকাতে ব্যাপক হানাদারি এবং নজরদারীর ওপর জোড় দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। শুক্রবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এব্যাপারে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া। 

একইসঙ্গে চলতি মরশুমে বৃষ্টির অভাবে খরিফ চাষ সংকটের মুখে পড়ায় আবেদন করা মাত্র সাবমার্শিবলের সংযোগ দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুত দপ্তরকে। এদিন জেলাশাসক বিজয়ভারতীর উপস্থিতিতে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, সহকারী সভাধিপতি দেবু টুডু সহ বিদ্যুত দপ্তরের আধিকারিকরাও। 

এদিনের বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে, সব থেকে বেশি বিদ্যুতের লোকসান চলছে ভাতারের এরুয়ার, বিজিপুর, পলসোনা, সালেন্দা, ঘোষপাড়া, বামশোর এবং বড়বেলুনে। গুসকরার পিচকুড়ির ঢাল, বেলেণ্ডা, বালিডাঙা, পিলসোণ্ডা, গোতিষ্ঠা,শিবদা এবং নোতায়। মেমারীর সাতগেছিয়ার বোস্তেকোটা, বারোয়ারি, কুলজোরা,জুগ্রাম,কাঁটা়ডাঙা, বসতপুর এবং সিহিগ্রাম। মাধবডিহির গোতান, ছোটবৈনান এবং বিনোদপুর এলাকায়। লোকসান চলছে রায়নার বনমালীপুর, বন্তীর, সাদিপুর, হরিপুর এবং কয়রাপুরে। জামালপুরের কংঘোষা,পর্বতপুর, জগদা এবং পাড়াতল। গলসীর রামপুর,শিড়রাই, বন্দুটিয়া, বাহিরঘন্যা, পুরানা। মন্তেশ্বরের হাড়কোডাঙা, তেঁতুলিয়া, মৌসা,ভেটি, পানবেড়িয়া, বরণডালা এবং লস্করপুরে। 

এদিনের বৈঠকে বলা হয়েছে লোকসানের মাত্রায় কাটোয়ায় ৭২ শতাংশ, বর্ধমান উত্তরের (ভাতার) ৭২.৮১, কাটোয়া ৭৫.৫০ শতাংশ, বর্ধমান উত্তরের (গুসকরায়)৬৬.৮৮,কালনার মন্তেশ্বরে ৭০.৩৮, মেমারীর সাতগেছিয়ায় ৬১.৩০, বর্ধমান দক্ষিণের রায়নায় ৫৮.৫৪, মেমারীর জামালপুরে ৫০.০৮,কালনার পূর্বস্থলীতে ৪৭.৪০, কাটোয়ার কাটোয়ায় ৩৪.৯৬ এবং কালনার সমুদ্রগড়ে ৪৫.৪১ শতাংশ লোকসান চলছে। 

এদিন প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০১৮-২০১৯ আর্থিক বছরে পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিদ্যুত চুরির অভিযোগে ৮৬৬টি এফআইআর করা হয়েছে এবং ১৩৪৩.৬৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে আদায় করা গেছে ৭৩৪.০২ লক্ষ টাকা। এরই পাশাপাশি ২০১৪ সাল থেকে অনাদায়ি ৮২৬টি এফআইআরের পরিপ্রেক্ষিতে ৯২১.৭৫ লক্ষ টাকা আদায়ের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

0 Comments: