728x90 AdSpace

Latest News

Wednesday, 24 July 2019

বর্ধমান হাসপাতালের সামনের রাস্তায় পুলিশের সামনেই নিত্যদিন লাঠি হাতে একদলের দাপাদাপি, আলোড়ন


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ একদল ছেলে। হাতে তাদের বড় বড় লাঠি। এরা কেউই পুলিশের লোক নন। কেউই পুরসভার লোক নন। কেউই হাসপাতালের নিযুক্তও নন। তবু প্রকাশ্য দিবালোকে খোদ পুলিশের সামনেই সদর্পে যান নিয়ন্ত্রণে তারা ব্যাস্ত। ঘটনাস্থল বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এবং রাজ কলেজের সামনের রাস্তা।

তাহলে এরা কারা? এই প্রশ্নই এখন শহরবাসীর। কিভাবে দিনের পর দিন এরা যানজট সামলানোর নামে হাতে লাঠি নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন? কিভাবে প্রতিটি টোটো থেকে ইচ্ছামত টাকা আদায় করছেন? কে তাদের অধিকার দিল? শুধু তাইই নয়, রীতিমত হাসপাতালের সামনে রাজ কলেজের গেটের সামনে অবৈধ টোটোর গ্যারেজ গড়ে তুলেছেন? কে তার অনুমোদন দিল? রীতিমতো এই ঘটনা ভাবাচ্ছে বর্ধমানবাসীকে। পুলিশ কর্তারা সব জেনেও চুপ। অন্যদিকে এদের মদত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীও শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে।


মুখ্যমন্ত্রী থেকে জেলা পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তারা বারবার বলছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আইন রক্ষকরাই যখন দাঁড়িয়ে থেকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে একেবারে সাধারণকে প্রশ্র‍য় দেয় তখন কি অবস্থা দাঁড়ায় তা খোদ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দাঁড়ালেই বোঝা যায়। অত্যন্ত জনবহুল এবং ব্যস্ততম এলাকা হাসপাতালের এই অঞ্চল। নিত্য যানজটের কেন্দ্রবিন্দু। আর সেখানেই প্রকাশ্যে পুলিশের সামনেই চলছে আইনকে নিজের হাতে নেবার প্রতিদিনের ঘটনা।

সম্প্রতি বর্ধমান হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বহিরাগতদের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। যা নিয়ে গোটা রাজ্য জুড়েও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে, বহিরাগতরাই সেদিন হাসপাতালের মধ্যে ঢুকে পড়ে জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনার জেরে হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের নিরাপত্তা নিয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের বাইরে হাতে লাঠি নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত তোলাবাজি করতে থাকা এরা কারা? কোন আইনে এদের হাতে লাঠি?

এব্যাপারে বর্ধমান জেলা পুলিশের ডিএসপি ট্রাফিক সুকান্ত হাজরা জানিয়েছেন, এই ধরণের ঘটনা তাঁর জানা নেই। কারা লাঠি হাতে প্রকাশ্যে দাপাদাপি করছে সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, হাসপাতালের সামনের এই রাস্তার যানজট নিয়ে ইতিমধ্যেই পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে তাঁরা একটি পরিকল্পনা করেছেন। সেই পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হচ্ছে। নয়া এই পরিকল্পনায় হাসপাতালের সামনের রাস্তা দিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক এবং নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত টোটোদেরই যাতায়াত করতে দেওয়া হবে। এজন্য ১৬টি রুটের কথাও ভাবা হয়েছে।
বর্ধমান হাসপাতালের সামনের রাস্তায় পুলিশের সামনেই নিত্যদিন লাঠি হাতে একদলের দাপাদাপি, আলোড়ন
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top