Headlines
Loading...
রেশনে ই-পস মেশিন রক্ষণাবেক্ষণের দায় নিক সরকার চায় রেশন ডিলাররা

রেশনে ই-পস মেশিন রক্ষণাবেক্ষণের দায় নিক সরকার চায় রেশন ডিলাররা


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ ই-পস মেশিন ব্যবহার এবং তা রক্ষণাবেক্ষণ করার দায় সরকারকেই নিতে হবে। রেশন ডিলারদের পক্ষে এই ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয়। একইসঙ্গে রেশন ডিলারদের মাসিক আয় কুইণ্টাল প্রতি ২৫০ টাকা করা কিংবা মাসে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা করার দাবী সহ ১৫ দফা দাবীতে সোমবার বর্ধমানে বিক্ষোভ দেখালো ওয়েষ্ট বেঙ্গল এম আর ডিলার্স এসোসিয়েশনের পুর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি।

এদিন কার্জন গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপিও দেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের জেলা সম্পাদক পরেশ নাথ হাজরা জানিয়েছেন, ই-পস মেশিন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রেশন ডিলাররা চান সরকারীভাবে ই-পস মেশিন বসুক। এতে গণবণ্টন ব্যবস্থা সুষ্ঠভাবে চলবে। কিন্তু একটি শ্রেণী থেকে প্রচার করা হচ্ছে রেশন ডিলাররা নাকি ই-পস মেশিন চায় না। এদিন পরেশবাবু জনিয়েছেন, তাঁরা ই-পস মেশিনের পক্ষেই। কিন্তু ওই মেশিন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী প্রয়োজন কিংবা মেশিনকে রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন সেই আর্থিক দায়ভার রেশন ডিলারদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।

তিনি জানিয়েছেন,বর্তমানে রেশন ডিলারদের মাসিক আয় কমবেশি ১০ হাজার টাকার কাছাকাছি। ফলে তাঁদের ক্ষেত্রে সংসার চালানোই দায় হয়ে উঠেছে। এর ওপর এই ধরণের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য যে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হবে তা তাঁদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ওই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত কমিশন সহ অন্নপূর্ণা প্রকল্পের পরিবহণে এবং কমিশন বাবদ ডিলারদের প্রাপ্য বকেয়া ২০০১ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যার পরিমাণ ১ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা।

পরেশবাবু জানিয়েছেন, ২০১৭ সালের ২ মে-র পর থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষকে নতুন রেশন কার্ড দেওয়া হলেও তাঁদের কোরোসিন তেল বরাদ্দ করা হয়নি। ফলে একটা চুড়ান্ত বিভ্রান্তি তৈরী হয়েছে। এদিন জেলাশাসকের কাছে সমস্ত বিষয় নিয়েই খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে দাবী করেছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আগামী ২৯ তারিখ এই দাবী নিয়েই তাঁরা কলকাতা অভিযান করছেন।

0 Comments: