Headlines
Loading...
তৃণমূলের আমলেও সিপিএম নেতার তোলাবাজি, বন্ধ করল তৃণমূল

তৃণমূলের আমলেও সিপিএম নেতার তোলাবাজি, বন্ধ করল তৃণমূল


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ বাম আমলে তো চলতই, এমনকি তৃণমূল আমলেও চুটিয়ে এফসিআই গোডাউনে আসা গাড়ি থেকে তোলাবাজি চালানোর অভিযোগ ছিল। বৃহস্পতিবার সেই সিপিএম নেতার তোলাবাজি বন্ধ করল স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের আলমগঞ্জ এলাকায়।

এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, এই আলমগঞ্জেই রয়েছে এফসিআই-এর বেশ কয়েকটি গোডাউন। আর বাম আমল থেকেই এই গোডাউনগুলিতে রীতিমত দাদাগিরি চালিয়ে আসছিলেন স্থানীয় সিপিএম নেতা বামা ব্যানার্জী। প্রতিটি গাড়ি থেকে বিনা রসিদ বা বিনা কুপনে ৪০ টাকা করে তিনি আদায় করে আসছিলেন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সাময়িকভাবে এই তোলাবাজি বন্ধ হলেও, পরে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে নিয়ে ফের তিনি তোলাবাজি শুরু করেন বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

এদিকে,এই ঘটনায় তোলাবাজি বন্ধ করতে বৃহস্পতিবার ২২নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার সমীর মুণ্ডা এবং ১৭ নং ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার রূপালি কৈবর্ত্যের নেতৃত্বে তৃণমূলের কর্মীরা এদিন আলমগঞ্জের ওই গোডাউনে যান। এদিন তৃণমূলের নেতৃত্ব সরাসরি তোলাবাজির অভিযোগ আনেন সিপিএম নেতা বামা ব্যানার্জ্জীর বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে এদিন থেকেই এই তোলাবাজি বন্ধের হুঁশিয়ারীও দেন তাঁরা। তৃণমূলের নেতৃত্বরা এদিন জানিয়েছেন, এরপরেও যদি তোলাবাজি হয় তাহলে তা রেয়াত করা হবে না। 

অন্যদিকে, এব্যাপারে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা বামা ব্যানার্জ্জীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, তৃণমূলের অনেকেই তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এখন তাঁরা নিজেরাই গোটাটা দখল নেবার জন্য তাঁর নামে অভিযোগ আনছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিদিন যে সমস্ত গাড়িগুলি এফসিআইয়ের মালপত্র নিয়ে আসে সেই গাড়িগুলিকে সঠিকভাবে লোড আনলোড করিয়ে সুষ্ঠভাবে বার করে দেওয়ার জন্য দুজন কর্মীকে তিনি নিয়োগ করেছিলেন। আর ওই দুই কর্মীদের মাসিক টাকা দেওয়ার জন্যই প্রতি গাড়ি থেকে টাকা নেওয়া হত।

0 Comments: