Headlines
Loading...
বর্ধমান শহরে আধা সামরিকবাহিনীর রুট মার্চেই ধরা পড়ল ৪ চোলাই কারবারী

বর্ধমান শহরে আধা সামরিকবাহিনীর রুট মার্চেই ধরা পড়ল ৪ চোলাই কারবারী


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ  একেবারেই গ্রামবাংলার চোলাই মদের উৎকট গন্ধ। আর সেই গন্ধ পেতেই আধা সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার হল চোলাই মদ। গ্রেপ্তার করা হল ৪জন চোলাই কারবারীকে। রবিবার বর্ধমান শহরের বেশ কিছু এলাকায় আধা সামরিকবাহিনী রুট মার্চ করল। এদিন সকালে বর্ধমান শহরের লক্ষ্মীপুর মাঠের কাঁটাপুকুর এলাকায় বর্ধমান থানার পুলিশ তথা আই সি তুষার কান্তি করের নেতৃত্বে আধা সামরিক বাহিনীর একটি প্লাটুন রুট মার্চে যায়। কাঁটাপুকুর এলাকায় ঢুকেই পুলিশ এবং আধা সামরিকবাহিনীর জওয়ানদের নাকে উৎকট চোলাই মদের গন্ধ গিয়ে ঠেকে। আর তারপরেই শুরু হয় অভিযান। গ্রেপ্তার করা হয় ৪ চোলাই কারবারীকে।

কাঁটাপুকুর এলাকায় রুট মার্চ করার পর লক্ষ্মীপুর মাঠের জোড়ামন্দির এলাকাতেও রুট মার্চ হয়। এখানে আধা সামরিকবাহিনীকে মিষ্টি জল খাওয়াতে এগিয়ে আসেন ৪ যুবক সঞ্জীব মণ্ডল,নিশিকান্ত চতুর্বেদী, কৌশিক সাউ এবং প্রিয়রঞ্জন কুমার। তাঁরা জানিয়েছেন,সেনাবাহিনীর জওয়ানরা দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্রতী। এঁরাও এসেছেন শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় সেই ব্যবস্থা করতে। তাই তাঁদের মিষ্টি আর জল দিয়ে তাঁরা আপ্যায়ন করার চেষ্টা করেছেন। এরপর সিআইএসএফের এই প্লাটুনটি রওনা দেয় বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর এলাকায়। এই সময়ে এই দলের সঙ্গে যুক্ত হন পূর্ব বর্ধমান জেলার দুটি লোকসভার দায়িত্বে থাকা পুলিশ অবজার্ভার।

কাঞ্চননগরে গিয়ে সরাসরি বাসিন্দাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন পুলিশ অবজার্ভার। ভোট দেওয়ার জন্য কোনো রকম রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভয় ভীতি বা উপহার দেওয়া হয় কিনা সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন তাঁরা। কারা কারা ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তাও অনেকের কাছে জানতে চান তিনি। এদিন পুলিশ অবজার্ভার কাঞ্চননগরের বাসিন্দা তথা বর্ধমান পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস সম্পর্কেও জানতে চান। কয়েকটি জায়গায় দুটি রাজনৈতিক দলের পতাকা থাকায় সে বিষয়টিও নথীভুক্ত করার নির্দেশ দেন প্লাটুন কমাণ্ডারকে। তাঁকে তিনি জানান, কেবল ঘুরলেই হবে না। একেবারে পর্যেবক্ষণ করতে হবে এবং সে ব্যাপারে সমস্ত কিছু নথীভুক্ত করে তাঁকে জানাতে হবে।

এদিন কাঞ্চননগর এলাকায় বেশ কিছু মন্ত্রী-নেতাদের ফলক দেখতে পেয়ে সেগুলি ঢেকে দেওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশ অবজার্ভার। কয়েকটি স্কুলের ভেতর বুথ দেখতে গিয়ে দেওয়ালে আঁকা বিভিন্ন ছবি দেখে তিনি জানতে চান এগুলি কেন? এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলের কোনো প্রতীকের মিল থাকলে তা মুছে দেবারও নির্দেশ দেন। সরকারী বিদ্যুত ও টেলিফোনের খুঁটিতে তৃণমূলের পতাকা দেখে কেন সরকারী জায়গায় রাজনৈতিক দলের পতাকা লাগানো রয়েছে সে বিষয়ে জানতে চান আইসির কাছে। একইসঙ্গে ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের কয়েকজন দাগী অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা জানতে চান পুলিশ অবজার্ভার।

0 Comments: