728x90 AdSpace

Latest News

Friday, 15 February 2019

সারা দেশের সাথে জঙ্গী হামলার বিরুদ্ধে গর্জে উঠল বর্ধমানও


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ এবার আর রেয়াত নয়, যারা যে ভাষায় কথা বোঝে তাদের সেই ভাষাতেই জবাব দেওয়া হোক। কাশ্মীরের জঙ্গী হানার ঘটনায় শুক্রবার বিকাল থেকে বর্ধমান শহরের রাস্তায় রাস্তায় গর্জে উঠল আপামর জনগন। ছাত্রছাত্রী থেকে যুবসমাজ, সমস্ত রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এদিন পাকিস্তানের জঙ্গীবাহিনীর এই নারকীয় ঘটনায় পাল্টা জবাব দেবার দাবীতে সোচ্চার হয়ে উঠলেন তাঁরা। শুক্রবার দুপুর থেকেই দফায় দফায় বর্ধমান শহর জুড়ে বিভিন্নভাবে শোকমিছিল সংগঠিত করা হয়েছে। এদিন বিকালে বর্ধমান শহরের রেলষ্টেশন এলাকায় বর্ধমান মইনুদ্দিন মেমোরিয়াল ও ভারত সংঘের উদ্যোগে ষ্টেশন এলাকায় একদিকে নিহত সেনা জওয়ানদের আত্মার শান্তি কামনায় করা হল যজ্ঞ এবং পবিত্র কোরাণ পাঠ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করে গর্জে উঠলেন আয়োজকরা। আয়োজক সংগঠনের নেতা ইফতিকার আহমেদ ওরফে পাপ্পু জানিয়েছেন, 'অনেক হয়েছে পাকিস্তানকে আর রেয়াত করা উচিত নয়,যোগ্য জবাব দেবার দিন এসে গেছে।'


অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী থেকে রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকেও এদিন মোমবাতি নিয়ে মিছিল সংগঠিত করা হয়েছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে প্রান্তে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআইটি কলেজের ছাত্রছাত্রীরা কলেজ থেকে গোলাপবাগের বিধানস্ট্যাচু পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল সংগঠিত করে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররাও এদিন মোমবাতি নিয়ে মিছিল করে সমবেত হন গোলাপবাগের বিধান স্ট্যাচুর পাদদেশে। এদিন বর্ধমান শহরের বাহির সর্বমঙ্গলাপাড়ার পাঞ্জাবী পাড়া থেকে একটি মোমবাতি মিছিল সংগঠিত করেন এলাকার মানুষ। এদিন জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিসিরোড থেকে কোর্ট কম্পাউণ্ড মোমবাতি মিছিল সংগঠিত করা হয়। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক কর্মচারীরাও এদিন এই ঘটনায় রাস্তায় নামেন। কার্জন গেটের সামনে তাঁরা স্মরণসভায় জড়ো হন মোমবাতি নিয়ে। বর্ধমান ফুডিস ক্লাবের পক্ষ থেকেও এদিন লক্ষ্মীপুর মাঠ থেকে বর্ধমান ষ্টেশন পর্যন্ত মিছিল করা হয়।


এছাড়াও ২০ নংওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্মরণসভা এবং মোমবাতি নিয়ে মিছিল সংগঠিত করা হয়। ৬নং ওয়ার্ড নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে মোমবাতি মিছিল করা হয়। মোমবাতি নিয়ে মিছিল করেন শহরের বিভিন্ন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা এদিন টাউনহল পর্যন্ত। নতুনগঞ্জ ঈশ্বরীতলাতেও এদিন কুঞ্জবিহারী মন্দিরের সদস্যরাও জঙ্গীহানার প্রতিবাদে মুখর হন। এছাড়াও বর্ধমান বিশ্ববিদ‌্যালয়ের ছাত্রসংসদের পক্ষ থেকেও এদিন মোমবাতি নিয়ে মিছিল সংগঠিত করা হয়। কার্যত বৃহস্পতিবার কাশ্মীরের এই জঙ্গীহানার ঘটনায় গর্জে উঠল এদিন বর্ধমান শহর। প্রত্যেকেই এদিন চেয়েছেন আর নয়, এবার প্রতিবাদ হোক জোরদার। শিক্ষা পাক পাকিস্তান। কোনো কিন্তু নয়, একেবারে সরাসরি দেওয়া হোক পাকিস্তানকে শিক্ষা।
সারা দেশের সাথে জঙ্গী হামলার বিরুদ্ধে গর্জে উঠল বর্ধমানও
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top