Headlines
Loading...
 প্রকাশিত হল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন রাস্তার ইতিকথা

প্রকাশিত হল বর্ধমান জেলার বিভিন্ন রাস্তার ইতিকথা



ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ  রাজ্য সরকার গোটা রাজ্য জুড়েই পর্যটনকেন্দ্রগুলিকে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি এখনও যে সমস্ত কেন্দ্রগুলি প্রচারের আলোয় আসেনি সেই সমস্ত জায়গাগুলিকে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে। তারই অঙ্গ হিসাবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন সম্প্রতি ১৫দিন ব্যাপী জেলা জুড়ে ১০০ দিনের প্রকল্পে বিশেষ উদ্যোগও নিলেন। জেলার প্রতিটি ব্লকে ব্লকে থাকা পর্যটনকেন্দ্র হতে পারে এমন জায়গাগুলিকে পরিচ্ছন্ন করা, সেগুলির সৌন্দর্য্যায়ন ঘটানো এবং প্রচারের আলোয় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে্ন। 

চলতি জানুয়ারী মাসেই বর্ধমান শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পর্যটন উৎসবও । আর সরকারী এই প্রচেষ্টার মাঝেই নিজেদের সীমিত ক্ষমতায় নিজেদের মত করেই বর্ধমান জেলার বিভিন্ন রাস্তা তথা পথের ইতিহাসকে একলপ্তে তুলে ধরার উদ্যোগ নিল বর্ধমান ইতিহাস ও পুরাতত্ত্ব চর্চা কেন্দ্র। রবিবার বর্ধমানের একটি সভাঘরে এই কেন্দ্রের ১১ তমবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশ করা হল এই বর্ধমান জেলার পথ পরিচয়ের সংক্ষিপ্ত কিছু ইতিহাস। 

সংগঠনের সম্পাদক তথা ইতিহাসবিদ ডা. সর্বজিত যশ জানিয়েছেন, গত ১০ বছর ধরেই তাঁরা জেলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক, পুরাতত্ত্ব বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করে আসছেন। এজন্য আলোচনা সভা, কর্মশালার আয়োজন, ক্ষেত্র সমীক্ষার পাশাপাশি তাঁরা বিষয়ভিত্তিক গ্রন্থ প্রকাশও করছেন। মূলত বর্ধমানের ইতিহাসকে একেবারেই নিখুঁত আকারে তুলে ধরার কাজ করার চেষ্টা করছেন। রবিবার বর্ধমানের এই অনুষ্ঠানে জীবন কৃতি সম্মান জানানো হয় ড. সূভাষ রায়কে এবং স্মারক প্রদান করা হয় বর্ধমান অনিকেত ও সন্তোষ কুমার হাজরাকে। তিনটি ধাপে এদিন বর্ধমান জেলার বিভিন্ন পথ পরিচিতি নিয়ে আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়। হাজির ছিলেন বিভিন্ন বক্তারাও। 

সর্বজিত যশ জানিয়েছেন, পথ চলতে হয় তাই চলি এরকমটা নয়, বর্ধমান জেলার মধ্যে যে অসংখ্য রাস্তা রয়েছে সেই সমস্ত রাস্তাগুলির ইতিহাস কি, কে তৈরী করেছিলেন, তার প্রামাণ্যতাই বা কি প্রভৃতি বিষয়গুলি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এরফলে জেলার বিভিন্ন রাস্তাগুলির ইতিহাস সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্ম জানতে পারবে। জানতে পারবে তাঁরা যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে সেটা কে তৈরী করেছিলেন। কার ওপর ভিত্তি করে আজকের ঝাঁ চকচকে রাস্তা তৈরী হচ্ছে।

0 Comments: