Headlines
Loading...
জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড় স্নেহার পশুপ্রেম আজ আলোচনার বিষয়

জাতীয় ভলিবল খেলোয়াড় স্নেহার পশুপ্রেম আজ আলোচনার বিষয়

এম কৃষ্ণা,ব্যারাকপুরঃ ভালো কিছু করার ইচ্ছাই হয়ত এগিয়ে দেয় অনেক মানুষ কে ৷ প্রয়োজন হয়না কে সঙ্গে আছে বা নাই। সাহসটাই বড়ো হয়ে ওঠে সেই সময় ৷ হ্যাঁ, ব্যারাকপুরের স্নেহা দে এর কথাই উঠে এল আজ ৷ এখনও পর্যন্ত বাংলা দলের হয়ে ৬ বার জাতীয় ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন স্নেহা ৷ ২০১৩ উত্তরপ্রদেশে জাতীয় মিনি ভলিবল, ২০১৪ তেলেঙ্গানায় জাতীয় সাব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০১৫ পদুচেরীতে জাতীয় সাব জুনিয়র,২০১৬ গুজরাটে খেলো ইন্ডিয়া, ২০১৭ অন্ধ্রপ্রদেশে খেলো ইন্ডিয়া, ২০১৮ বর্ধমানে হয়ে যাওয়া জাতীয় মিনি ভলিবলে বাংলা দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন এই মেয়ে ৷ চ্যাম্পিয়ন বাংলা দলের সদস্য হিসাবে চোখে পরেছিলেন দ্রোণাচার্য কোচ জি শ্রীধরণ স্যারের ৷ এতো গেল স্নেহার খেলার খতিয়ান ৷ 

কিন্তু খেলার বাইরেও স্নেহা যে একজন প্রকৃত পশু প্রেমী তা হয়ত অনেকেরই অজানা। পথে ঘাটে ঘুড়ে বেড়ানো অবহেলিত সারমেয় কিম্বা বিড়াল দের প্রতি স্নেহার দৃষ্টিভঙ্গি সত্যি অবাক করে। রাস্তার কুকুর, বিড়ালদের নিত্য খাওয়ানো তার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে ৷

শুধু যে নিজের বাড়ি বা এলাকায় থাকলেই সে এমনটা করে তা নয়, দেশের অন্য রাজ্যে খেলতে গিয়েও তার এই অভ্যাসের কোন ঘাটতি থাকে না।আহত অথবা আঘাত প্রাপ্ত পথের কুকুর বেড়াল দের নিজে হাতে করে চিকিৎসা টাও স্নেহা ভালই রপ্ত করেছে ৷ রোজ খাবার দেওয়ার জন্যই ব্যারাকপুরের তার বাড়ির আশেপাশের প্রায় ৮-১০ টি কুকুর তাকে দেখলেই ঘিরে ধরে। স্নেহাও তার সাধ্যমতো এই অবলাদের ইচ্ছা পুরন করেন সযত্নে।

বাবার ডেকোরেটারের ব্যবসা ৷ অনুষ্ঠান বাড়ির কোন খাবার বাচলে তা কখনও কখনও এনে দেন তার বাবা ৷ মেয়ের এই আবদারে খুশি পরিবার সহ এলাকার সবাই ৷ স্নেহার একটাই কথা, অবহেলিত এই প্রাণী গুলোকে সাধারন মানুষ একটু যত্ন নিলে বা ভালোবাসলেই বুঝতে পারবেন - এ এক অন্য সুখ। যখন সে মেতে থাকে তার প্রিয় সাথিদের নিয়ে, তখন স্নেহাকে দেখে বোঝাই যায় না যে সে জাতীয় পর্যায়ের বাংলা ভলিবল দলের একজন নিয়োমিত খেলোয়াড়। 

0 Comments: