728x90 AdSpace

Latest News

Wednesday, 7 November 2018

আজাহারউদ্দিনের হাত থেকে সম্মান নিয়েই সোজা মায়ের কাছে কালনার সাথী



এম কৃষ্ণা, কালনাঃ স্বপ্ন সত্যি হয় আপন বিশ্বাসে ৷ ভারতের জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ক্রিকেটার মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের থেকে সম্মান পেয়েই সোজা মায়ের কাছে মামার বাড়ি পৌঁছালো ছোট্ট সাথী ৷ পূর্ব সাতগেছিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্ঠম শ্রেনীর ছাত্রি সাথী মন্ডল ৷ ছয় বছর বয়স থেকেই যোগা নিয়ে এগিয়ে চলেছে সাথী ৷ রাজ্য স্কুল যোগায় জেলায় দ্বিতীয় হয়েছে সে ৷ সেই সঙ্গে জাতীয় স্কুল যোগায় রাজ্যের হয়ে অনুর্দ্ধ ১৪ বিভাগে সে প্রতিনিধিত্ব করতে জানুয়ারীতে মহারাষ্ট্র যাবে ৷ যোগায় অসাধারন প্রতিভার জন্য কালনার গুপ্তিপাড়ার সংঘতি ক্লাবের পক্ষ থেকে রবিবার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও জাতীয় দলের অধিনায়ক মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের হাত দিয়ে সাথীকে সন্মানও জানানো হল ৷ এমন একজন বিখ্যাত খেলোয়াড়ের হাত থেকে সম্মান নেওয়ার মুহূর্তে মা পাশে না থাকায় আক্ষেপ ছিল সাথীর। তাই পুরস্কার নিয়েই সোজা মামার বাড়িতে মায়ের কাছে ছুটল সে ৷ 

বাবা শ্যামল কুমার মন্ডল পেশায় টোটো চালক ৷ অত্যন্ত অসুবিধার মধ্যেই মেয়েকে যোগা শিখিয়ে চলেছেন ৷ ছোটবেলায় পাড়ার সরস্বতী সংঘ ও তরুন সংঘে যোগা শেখার পর বর্তমানে ত্রিবেনীর লাবন্য যোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাথী যোগার তালিম নিচ্ছে দিদিমনি স্বপ্না পালের কাছে ৷ মা রুপালী মন্ডলই নিয়মিত সাথীকে কালনা থেকে ত্রিবেনীতে নিয়ে আসেন যোগা শেখাতে ৷ যেদিন ফিরতে অসুবিধা হয় সেদিন থেকে যান দিদিমনির বাড়িতেই ৷ সাথীর প্রাক্তন প্রশিক্ষক সৌমেন দাস বর্তমানে ভিয়েতনামে যোগা প্রশিক্ষক ৷ ভিডিও কলের মাধ্যমে এখনও তিনি যোগার বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় দেখিয়ে চলেছেন সাথীকে ৷ যোগাকে আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করছে ছোট্ট সাথী ৷ একরত্তি এই মেয়ের এই ভাবে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াসের ভূয়সী প্রশংসা করলেন স্বয়ং আজাহারউদ্দিন ৷ 

ক্লাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ ক্রিকেট ম্যাচের জন্য কলকাতায় এসেছিলেন মহম্মদ আজাহারউদ্দিন। সেখান থেকেই তিনি কালনার গুপ্তিপাড়া সংঘতি ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন। ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া সম্মান আজাহারউদ্দিন তুলে দেন সাথীর হাতে।
আজাহারউদ্দিনের হাত থেকে সম্মান নিয়েই সোজা মায়ের কাছে কালনার সাথী
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top