728x90 AdSpace

Latest News

Tuesday, 21 August 2018

তিন মাস পর উদ্ধার হল গোঘাটের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কিশোরী



ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,আরামবাগঃ ভারতীয় মানবাধিকার সংরক্ষণ সংঘের তৎপরতায় গোঘাট থানার পুলিশ প্রায় তিন মাস পর উদ্ধার করল নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক কিশোরীকে। জানা গিয়েছে, গোঘাটের সেলামপুর গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সর্দার পেশায় কৃষক। তার মেয়ে এবছরের ২০ মে টিউশন থেকে বাড়ি আসার পথেই নিখোঁজ হয়ে যায়। তারপর আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে ওই কিশোরীর কোন হদিস না পাওয়ায় গোঘাট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন ওই কিশোরীর বাবা পিন্টু সর্দার। অভিযোগের ভিত্তিতে এরপর পুলিশ তদন্তও শুরু করে। কিন্তু ওই কিশোরীর কোনো খোঁজ না মেলায় হতাশ হয়ে পরে তার পরিবার। বাবা মা এক প্রকার পাগলের মতন হয়ে যায়। মেয়ের কোন খোঁজ না মেলায় শেষমেশ যোগাযোগ করেন ভারতীয় মানবাধিকার সংরক্ষণ সংঘের সাথে। মানবাধিকার সংঘের রাজ্য সভাপতি সঙ্গীতা চক্রবর্তী ওই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া পরিবারের পাশে দাঁড়ান । 

সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে একাধিকবার সঙ্গীতা চক্রবর্তী আরামবাগ এসডিপিও কৃশানু রায় এবং গোঘাট থানার ওসি মিঠুন ব্যানার্জিকে বিষয়টি অবগত করেন। বিষয়টি যাতে সঠিকভাবে খোঁজখবর নেওয়া হয় তার জন্যই তিনি অনেক বেশি উদ্যোগী হন। এরপর মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অপহরণের অভিযোগ করা হয়। গোঘাট থানার পুলিশ অপহরণের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ তদন্তের পর অবশেষে ওই কিশোরীকে সোমবার রাত্রে গোঘাট থানার পুলিশ কামারপুকুর এলাকা থেকে উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সকালে ওই কিশোরীকে তার বাবা ও মায়ের হাতে তুলে দেয় পুলিশ। 

এতদিন পর মেয়েকে কাছে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে খুশির জোয়ার। কিশোরীর বাবা পিন্টু সর্দার জানান, ভারতীয় মানবাধিকার সংরক্ষণ সংঘের জন্য ও গোঘাট থানার পুলিশের সাহায্যে তার মেয়েকে ফিরে পেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আইনের ওপর আস্থা রাখা দরকার। 

এ বিষয়ে ভারতীয় মানবাধিকার সংরক্ষণ সংঘের রাজ্য সভাপতি সঙ্গীতা চক্রবর্তী জানান, ওই কিশোরীর বাবা তার সাথে যোগাযোগ করার পরেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে ছুটে যান প্রশাসন ও পুলিশের কাছে। তিনি মনে করেন একজন মানুষ হয়ে আর একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্য । তিনি সেই কাজটাই করতে পেরে খুশি।
তিন মাস পর উদ্ধার হল গোঘাটের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কিশোরী
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a comment

Top