728x90 AdSpace

Latest News

Monday, 23 July 2018

অবশেষে বর্ধমান ষ্টেশনে বসতে চলেছে চলমান সিঁড়ি


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমানঃ দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে যাত্রী সুবিধার্থে বর্ধমান রেলওয়ে জংশন স্টেশনে বসতে চলেছে এক্সকেলেটর বা চলমান সিঁড়ি। আর এই খবরে খুশির হাওয়া নিত্য যাতায়াতকারী প্রবীণ মানুষদের মধ্যে। যদিও প্রথম ধাপে কেবলমাত্র ওঠার জন্যই এই ব্যাবস্থা চালু হবে বলে জানিয়েছেন বর্ধমান স্টেশন ম্যানেজার স্বপন অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, হাওড়া ডিভিশনের বর্ধমান, ব্যান্ডেল এবং রামপুরহাট স্টেশনকে 'এ' ক্লাস স্টেশন হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আর তার পরেই যাত্রী সাচ্ছন্দে চলমান সিঁড়ির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বপনবাবু জানান, চলমান সিঁড়ির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই তৈরি। প্রথম ধাপে ৪ ও ৫ প্ল্যাটফর্মে, দ্বিতীয় ধাপে ৬ ও ৭ নং প্ল্যাটফর্মে এবং তৃতীয় পর্যায়ে ২ ও ৩ নং প্ল্যাটফর্মে কেবলমাত্র ওঠার জন্য এই চলমান সিঁড়ি চালু করা হবে। ১নং প্ল্যাটফর্মের বাইরে এই চলমান সিঁড়ি বসানো হবে। ইতিমধ্যেই এই চলমান সিঁড়ির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি চলেও এসেছে।


স্বপনবাবু জানান, ইতিমধ্যেই প্রতিবন্ধীদের জন্য রেলের প্ল্যাটফর্ম এবং রেল স্টেশন এলাকায় ট্রাক টাইলস বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। তিনি জানান, কাটোয়া ওভারব্রিজের কাজ সম্পন্ন হলে বর্ধমান স্টেশনের খোলনোলচেরই পরিবর্তন হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,বর্ধমান ষ্টেশনে গড়ে দূরপাল্লা, লোকাল এবং বর্ধমান ষ্টেশনে না দাঁড়ানো এরকম প্রতিদিন প্রায় ৪০০ ট্রেন যাতায়াত করে। গড়ে প্রতিদিন ১ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করে এবং প্রতিদিন গড়ে ৪৯ হাজার টিকিট বিক্রি হয়। যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। রেল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২০ শতাংশ যাত্রীই রয়েছেন যাঁদের সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে অসুবিধা হয়। এই চলমান সিঁড়ি চালু হলে এই প্রভুত সুবিধা হবে ওই সকল বয়স্ক, অসুস্থ যাত্রীদের। স্বপন বাবু জানিয়েছেন, কেবলমাত্র যাত্রীরাই তাদের ব্যাক্তিগত মালপত্র নিয়ে এই সিঁড়ি ব্যাবহার করতে পারবেন। অন্যান্য ভারি মালপত্র ব্যাবহারের জন্য এই সিঁড়ি ব্যাবহার করা যাবে না। খুব শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে চলমান সিঁড়ি বসানোর কাজ।
অবশেষে বর্ধমান ষ্টেশনে বসতে চলেছে চলমান সিঁড়ি
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a comment

Top