728x90 AdSpace

Latest News

Tuesday, 20 March 2018

বর্ধমানে বেহুলা নদী বুজিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য খাগড়াগড়ে

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান:'পুকুর চুরি' সম্পর্কে জানা থাকলেও আস্ত নদী বিক্রির কথা এর আগে শোনেনি বর্ধমানবাসী। এবার নিজেদের চোখে তাই-ই দেখছেন বর্ধমানের সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত খাগড়াগড় এলাকার বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা বেহুলা নদীর অবশিষ্টাংশকে কিছু লোক অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দিচ্ছে। 

গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, এলাকার কিছু দালাল অর্থের বিনিময়ে বেশ কিছু লোককে বেহুলা নদীর ওপরে বাঁশের কাঠামো দিয়ে বাড়ি তৈরী করতে সাহায্য করছে। বিষয়টি তারা জেলা প্রশাসনের নজরে আনার পর যথেষ্ট চাঞ্চল্যও সৃষ্টি হয়েছে গোটা শহর জুড়ে। এবার তারা শহরের প্রাচীন নদীকে বাঁচানোর জন্য লিখিত আবেদন জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। 

প্রসঙ্গত বর্ধমান পুরসভার ১নং ওয়ার্ডের পাশ ঘেঁষে একদা বয়ে চলা বেহুলা নদীর সঙ্গে গোটা বর্ধমান শহরের পাশাপাশি সরাইটিকর,বাদশাহী রোড,কাঁটাপুকুর,লক্ষীপুর মাঠ প্রভৃতি এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা জড়িত। এমনকি বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার জল নিকাশির কাজ এই নদীর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। 
উল্লেখ্য,এর আগেও এই নদী বুজিয়ে ঘর বাড়ি গড়ে তোলার অভিযোগ সামনে এসেছে। বর্ধমান পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের নিকাশি জল বেরোনো নিয়ে সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। এব্যাপারে স্থানীয় কাউন্সিলারকে জানিয়েও বিশেষ ফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। অন্যদিকে সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পঞ্চায়েত এবং পৌর এলাকায় সৃষ্টি হওয়া নিকাশি সমস্যা সম্বন্ধে জানলেও সুরাহার কোন ব্যবস্থা করেননি বলেও বাসিন্দাদের অভিযোগ। ফলে বেহুলা নদীকে এভাবে বোজানো হলে কার্যত বেহাল হয়ে পড়বে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা। এমনটাই আশংকা করছেন সরাইটিকর গ্রাম সহ বর্ধমান শহরের বাসিন্দারাও। 

এদিকে বিষয়টির প্রতিবাদ জানানোয় গ্রামের বাসিন্দাদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। তারা জেলা প্রশাসনের কাছে এ ব্যাপারে দ্রুত সমাধান চাইছেন। 
                                                                                                                  ছবি - ইন্টারনেট 
বর্ধমানে বেহুলা নদী বুজিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য খাগড়াগড়ে
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a comment

Top