728x90 AdSpace

Latest News

Saturday, 31 March 2018

স্ত্রীর গলায় কাঁচি চালিয়ে নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করল স্বামী



ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,আরামবাগ:স্ত্রীর গলায় কাঁচি চালিয়ে নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করল স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির পুরশুরা থানার নিমডাঙ্গী এলাকায়। স্ত্রীর চিৎকারে ছুটে এসে প্রতিবেশীরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে বিকেলের দিকে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এদিকে মর্মান্তিক এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্তে শুরু করেছে পুরশুড়া থানার পুলিশ।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন,শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ দেবদাস তার স্ত্রী সাগরিকাকে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে খিল দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপর সে তার স্ত্রীর মুখ চেপে ধরে গলাতে কাঁচি চালিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাগরিকা চেঁচাতে থাকে। সেই সময় দেবদাস নিজেই নিজের গলা কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলে। দুজনের চেঁচামেচি শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। ঘরের বন্ধ দরজা দেখে ভেঙে ভিতরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তড়িঘড়ি দুজনকেই আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এদিকে হাসপাতালের বেডে শুয়ে সাগরিকা বলেন, তাঁর স্বামী খুব ভালো। সে তাকে খুব ভালবাসে। তাকে ছাড়া থাকতেও পারে না। ক্লাবের কিছু ছেলের পাল্লায় পড়ে তাঁর স্বামীর মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে। অন্যদিকে দেবদাসের এক কাকা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই ও অস্বাভাবিক আচরণ করছিল। সেই জন্য তাকে রবিবার বর্ধমানে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কে দেখানোর কথা। আজ হঠাৎ এমন ঘটনা ঘটানোই আমরা হতবাক। 

দেবদাসের এক বন্ধু জানান, ও পড়াশুনায় খুব ভাল ছিল । ভাল খেলাধুলাও করত। ওকেই ক্যাপ্টেন করা হতো। প্রায় ছ'বছর আগে মিস কলে ওদের প্রেম হয়। তারপর প্রায় দু'বছর বিয়ে হয়েছে।বর্তমানে ইন্টারনেট ঘেঁটে কিছু সফটওয়্যার তৈরীর কাজ করছিল। আজ কেন যে এমন করল, বুঝতে পারছি না। 

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে তারকেশ্বরের ভীমপুর থেকে আরামবাগ হাসপাতালে ছুটে আসেন সাগরিকার বাবা মা। সাগরিকার বাবা শিবু ঘড়া জানান, গতকালই জামাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। জামাইয়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল। তবে জামাই কে কেউ কিছু খাইয়ে তার মাথাটা গন্ডগোল করে দিয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন।
স্ত্রীর গলায় কাঁচি চালিয়ে নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করল স্বামী
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a comment

Top