728x90 AdSpace

Latest News

Tuesday, 3 September 2019

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই বর্ধমান শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতে নামানো হল স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মহিলাদের


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: গত ২৬ আগষ্ট বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে এসে প্রশাসনিক সভায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমান শহর তথা বর্ধমান পুরএলাকার জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজ কেমন হচ্ছে তা জানতে চেয়েছিলেন জেলা প্রশাসনের কাছে।এদিনই ডেঙ্গু নিয়ে ব্যাপক প্রচারের পাশাপাশি শহরের জঞ্জাল সাফাইয়ের বিষয়েও সমান গুরুত্ব দেবার নির্দেশ দিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁর নির্দেশ পাবার পরই শহরকে পরিচ্ছন্ন তথা জঞ্জাল মুক্ত করতে উঠেপড়ে লাগলো প্রশাসক নিযুক্ত বর্ধমান পুরসভা।

 
সোমবার বর্ধমান পুরকর্তৃপক্ষ বর্ধমান শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডেই এব‌্যাপারে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ধমান শহরের মোট ১০৯৩টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। বর্ধমান পুরসভার আধিকারিক অমিত গুহ জানিয়েছেন, এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেছেন। তাঁদের দিয়ে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি বাড়ি বাড়ি সপ্তাহব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গাছ লাগানোর পাশাপাশি প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্লাষ্টিক বর্জন করার ডাকও দিচ্ছেন তাঁরা। প্রত্যেক বাসিন্দাকেই নিজের নিজের এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য তাঁরা আবেদন জানাচ্ছেন।

 
উল্লেখ্য, অন্যান্য শহরের মতই বর্ধমান পুরএলাকাতেও জলনিকাশীর ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় প্লাষ্টিক। সম্প্রতি বর্ধমান পুরসভা প্লাষ্টিক বর্জনের জন্য নির্দেশ দিলেও ধারাবাহিকতার অভাবে তা আর বাস্তবায়িত হয়নি। আর তাই এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আবার একবার স্বনির্ভির গোষ্ঠীর মহিলাদের দিয়ে প্লাষ্টিক মুক্ত পরিচ্ছন্ন শহর হিসাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বর্ধমান কে। উল্লেখ্য, বর্ধমান পুরসভার প্রশাসক তথা বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক(উত্তর) পুষ্পেন সরকার জানিয়েছেন, বর্ধমান পুরসভার জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজে ২টি এজেন্সী নিযুক্ত রয়েছে। মোট ৮৫৬জন কর্মী কাজ করেন। জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজে ৩টি জেসিপি মেশিন এবং ২টি কম্প্যাক্টর মেশিন রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে বর্ধমান পুর এলাকা থেকে ১৩২ টন জঞ্জাল তুলে তা ড্যাম্পিং গ্রাউণ্ডে ফেলা হয়। 

তিনি জানিয়েছেন, এই জঞ্জালের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ আবর্জনা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সংগ্রহ করা হয়। বাকি আবর্জনা ভ্যাট থেকে সংগ্রহ করা হয়। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক এই সভা থেকেই বর্ধমান শহরে ডেঙ্গু নিয়ে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশ দেন। নির্দেশ দেন ক্যাসেট তৈরী করে তা দিয়ে মিষ্টি কথায় প্রচার করতে। মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, গত ২ মাস ধরেই বর্ধমান পুর এলাকায় ২৪১টি টিমের মোট ৪৮৩জন ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রচার করছেন। ইতিমধ্যে বিশেষত শহরের ড্রেনগুলিতে যাতে জল জমে না থাকে সেজন্য ২০১টি বড় ড্রেনের সংস্কার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, তিনি জানিয়েছেন,এখনও পর্যন্ত বর্ধমান শহরে ২৮ নং ওয়ার্ডে একজনের রক্তে ডেঙ্গু পাওয়া যায়। তিনি ব্যাঙ্গালোর থেকে এখানে এসেছিলেন।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই বর্ধমান শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতে নামানো হল স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মহিলাদের
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top