728x90 AdSpace

Latest News

Saturday, 1 December 2018

হিমঘর থেকে বিষাক্ত এ্যামোনিয়া গ্যাস লিক, আতংক বর্ধমানে


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ হিমঘর থেকে বিষাক্ত এ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করার ঘটনায় শনিবার সকালে তীব্র আতংক সৃষ্টি হল বর্ধমান শহরের ছোটনীলপুর পালপাড়া এলাকায়। পালপাড়া ছাড়াও এই আতংক ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকাতেও। শনিবার সকালে শীতের কুয়াশার দাপটে এই গ্যাসের তীব্রতায় রীতিমত অস্বস্তিতে পড়েন এলাকার মানুষ। কয়েকজন অসুস্থতাও বোধ করতে শুরু করেন। 

পালপাড়ার বাসিন্দা অরিন্দম বিশ্বাস, উত্তম সমাদ্দার, সমীর পাল প্রমুখরা জানিয়েছেন, এদিন সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠতেই তাঁরা তীব্র ঝাঁজালো গন্ধ পান। গন্ধের উত্স সন্ধান করতে গিয়ে দেখেন স্থানীয় দামোদর কোল্ড স্টোরেজ থেকেই বেরিয়ে আসছে এই বিষাক্ত গ্যাস। এলাকাবাসীরা দাবী করেছেন, শুধু এদিনই নয়, প্রায়শই এই গ্যাস বের হলেও কোনো হেলদোল নেই হিমঘর কর্তৃপক্ষের। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, এব্যাপারে হিমঘর কর্তৃপক্ষকেও বারবার জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এদিকে, এদিন সকালে ওই হিমঘরে গিয়ে দেখা যায়, মাটির তলা দিয়ে যাওয়া এ্যামোনিয়া গ্যাসের পাইপ ফুটো হয়েই এই গ্যাস হু হু করে বেড়িয়ে আসছে। শীতের সকালে কুয়াশা থাকায় গ্যাস ওপরে উঠতে না পেরে গোটা এলাকা ছেয়ে যায়। এদিকে,এলাকাবাসীরা হিমঘরে গিয়ে গোটা বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানানোর পর প্রাথমিকভাবে খুঁড়ে বার করা হয় পাইপের অংশকে। এরপর জল দিয়ে গ্যাসকে ওপরে উঠতে বাধা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় গ্যাস চেম্বার থেকে আসা গ্যাস সরবরাহও।

 এলাকাবাসীরাই এরপর খবর দেন থানায়। থানা থেকে পুলিশ গিয়ে গোটা বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেন। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। দমকলের একটি ইঞ্জিন এলেও এ্যামোনিয়া প্লাণ্টের দিকে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা হিসাবে জলের সুবিধা না থাকায় তাঁরা পিছু হঠেন। পাশাপাশি তাঁরা হিমঘরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক আছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন। যদিও দমকলের ওসি সুনীল চক্রবর্তী এব্যাপারে কিছু বলতে চাননি। এদিকে, এই ঘটনার প্রায় ঘণ্টা চারেক পর হিমঘর কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামেন। হিমঘরের অপারেটর সত্যনারায়ণ গুপ্ত জানিয়েছেন, প্রতিবছরই তাঁরা গোটা বিষয়টি নিয়মিত দেখভাল করেন। তিনি জানিয়েছেন, দ্রুততার সঙ্গে ওই পাইপলাইন মেরামতি করা শুরু হয়েছে।
হিমঘর থেকে বিষাক্ত এ্যামোনিয়া গ্যাস লিক, আতংক বর্ধমানে
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top