728x90 AdSpace

Latest News

Wednesday, 9 May 2018

মেট্রো জোন বাংলা বর্ষবরণ ও ফিরে দেখা বর্ধমান ১৪২৫



ফোকাস বেঙ্গল নিউজ ডেস্কঃ সারাবছর আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ অথবা প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের মত করে এমন কিছু কাজ করে চলেন যা সমাজের চোখে দৃষ্টান্ত তৈরি করে। আর এই ধরনের মানুষ এবং প্রতিষ্ঠানগুলিকে খুঁজে বের করে তাদের সন্মান জানানোর এক অভিনব উদ্যোগ গ্রহন করল শহর বর্ধমানের একটি প্রতিষ্ঠান মেট্রো জোন। সম্প্রতি শহরের টাউন হল প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হল 'বর্ষবরণ ও ফিরে দেখা বর্ধমান' শীর্ষক একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৈশাখের এক মনোরম সন্ধ্যায় এই উপলক্ষে বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী টাউন হল প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত হয়েছিলেন শহরের একঝাক বিশিষ্ট বাক্তিবর্গ। রবীন্দ্র নৃত্য, গান, আবৃত্তি পরিবেশনের পাশাপাশি সন্মান জ্ঞাপন অনুষ্ঠান ছিল এই সন্ধ্যার মুখ্য আকর্ষণ। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের নিরিখে যেমন বিশিষ্টদের সন্মান জানানো হয়, পাশাপাশি শহরের বেশ কিছু বাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্নাধারদের হাতেও এই প্রথম তুলে দেওয়া হয় সেরার স্বীকৃতি। স্বাভাবিকভাবেই শহরে এই প্রথম এই ধরনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শহরবাসীর একাংশ।


উদ্যোক্তা মেট্রো জোন-এর কর্নাধার মানবেন্দ্র বোস জানিয়েছেন, সারাবছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানান সমাজকল্যানমূলক কিম্বা  মনোরঞ্জনমূলক অনুষ্ঠান সংগঠিত করে থাকেন। কিন্তু সেই সব অনুষ্ঠান সংগঠিত করার নেপথ্যে যাঁদের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়, তাঁদের সন্মান জানানোর তাগিদ থেকেই এই উদ্যোগ। এছারাও মানুষের জন্য যারা  প্রতিনিয়ত গঠনমূলক কাজ করে চলেছেন তাদের মধ্যে থেকেও কিছু জনকে সন্মান জানানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, 'মেট্রো জোন সেরা সমাজ সেবক' হিসাবে যাঁদের সন্মান জানান হল তাঁরা হলেন, বর্ধমান শহরের সব থেকে বড় গণ বিবাহের আয়োজক এবং নিখরচায় বৃদ্ধাশ্রম এর প্রতিষ্ঠাতা খোকন দাস, আইনজীবী উদয় কোনার এবং ডাঃ নিতাই প্রামানিক।

'মেট্রো জোন সেরা উদ্যোগ' সন্মানে পুরস্কৃত করা হয়েছে শহরের ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার প্রদিপ রহমান কে। এক্ষেত্রে তাঁর দুঃস্থ ও গরিব মানুষদের জন্য লায়লা ভবন বিয়েবাড়ি তৈরি করার উদ্যোগকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এছারাও বর্ধমান শহরে প্রথম ৩৫ টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার একটি দল নিয়ে মোট ৩৬ টি দলের ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজনকারী সংবাদ সংস্থা ফোকাস বেঙ্গল কেও 'মেট্রো জোন সেরা উদ্যোগ' সন্মানে ভূষিত করা হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে সাংবাদিক সৌরীশ দে -এর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


এছারাও এক বছরে ৬ টি ইভেন্ট সংগঠিত করার জন্য 'সেরা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট' সন্মান পেয়েছেন এম এস ইকিউপ সংস্থার কর্নাধার মনোজ গোস্বামী। বর্ধমান শহরের সেরা উৎসবের সন্মান দেওয়া হয়েছে বর্ধমান পৌরসভা আয়োজিত বর্ধমান পৌর উৎসব কে।সেরা দুর্গা পুজা সন্মান পেয়েছে আলমগঞ্জ বারয়ারি।সেরা দুর্গা প্রতিমার সন্মান পেয়েছে পদ্মশ্রী সঙ্ঘ।

এছারাও শহরের বেশ কিছু বাবসায়িক প্রতিষ্ঠানকেও মেট্রো জোন সেরার সন্মান প্রদান করা হয়েছে।
সেরা সঙ্গীত কলাকেন্দ্র - কলাবতী মিউজিক কলেজ। সেরা ব্রাইডাল স্টুডিও - ব্রাইডাল (অনেস্বা)।সেরা জিম - ফিটনেস ফ্যাক্টরি। সেরা মিষ্টির দোকান - সৌদামিনী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার।সেরা সীতাভোগ, মিহিদানা - গনেশ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার। সেরা রেস্তোরাঁ - ক্যান্টিন। সেরা ল্যাংচা দোকান - আদি ল্যাংচা ভবন।সেরা ফার্নিচার - সাজ। সেরা ইলেকট্রনিক্স শো রুম - আনন্দমেলা। সেরা শাড়ির দোকান - নবদুর্গা সিলেকশন। সেরা গহনার দোকান - অনন্তলাল দাস অ্যান্ড সন্স এবং সেরা শিশুদের জামা কাপড়ের দোকান - লিটল চাম্পস।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন মধুমিতা পিরি।
মেট্রো জোন বাংলা বর্ষবরণ ও ফিরে দেখা বর্ধমান ১৪২৫
  • Blogger Comments
  • Facebook Comments

0 comments:

Post a Comment

Top